মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে নিন্দা, প্রত্যাহার ও অপসারণের দাবি বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু নেপালের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল তেল আবিব সাইবার ঝুঁকিতে বন্ধের ৩ দিন পর সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন ‘দুঃখজনক ও লজ্জাজনক’: ধর্মমন্ত্রী বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ৩ দিনের খাবার-পানি মজুতের নির্দেশনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব

ব্যাংকের লকার থেকে উধাও গ্রাহকের ১৪৯ ভরি স্বর্ণ!

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় রবিবার, ২ জুন, ২০২৪
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে
ব্যাংকের লকার থেকে উধাও গ্রাহকের ১৪৯ ভরি স্বর্ণ!

চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের একটি শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর চকবাজার শাখায়। খোয়া যাওয়া স্বর্ণের দাম ১ কোটি ৭৪ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। মালিকের দাবি, এসব স্বর্ণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরিয়ে ফেলেছেন। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লকারের চাবি অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের (গ্রাহক) কাছেই থাকে। সেক্ষেত্রে গ্রাহক দায় এড়াতে পারেন না। তদন্ত করলে মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের একটি শাখার লকার থেকে লকার থেকে এক গ্রাহকের ১৪৯ ভরি স্বর্ণ উধাও হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর চকবাজার শাখায়। গত ২৯ মে দুপুরে ঘটলেও এখন পর্যন্ত ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বা গ্রাহক কেউই থানায় অভিযোগ করেননি।

এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী রোকেয়া বারীর ছেলে ডা. রিয়াদ মোহাম্মদ মারজুকের দাবি, ব্যাংক কর্মকর্তারা তাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন যে ঘটনা তদন্তে তারা একটি তদন্ত দল গঠন করেছেন এবং সাত দিনের মধ্যে সঠিক ঘটনা উদঘাটন করবেন। এ ছাড়া অভিযোগ দায়ের না করলেও ঘটনাটি পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।

চিকিৎসক রিয়াদ মোহাম্মদ মারজুক বলেন, তার মা ২০০৭ সাল থেকে ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখায় তার স্বর্ণের গহনা রাখার জন্য লকার ব্যবহার করে আসছেন। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ব্যাংকে গিয়ে লকার রুমের ইনচার্জকে তার লকার দেখার অনুরোধ করেন। মায়ের কাছে লকারের মূল চাবি আছে এবং আরেকটি ডুপ্লিকেট চাবি ইনচার্জের কাছে থাকে।

তিনি বলেন, তারা দুজন লকার রুমে প্রবেশ করেন। তখন ইনচার্জ প্রথমে দেখেন যে মায়ের লকারটি খোলা। পরে আমার মা লকারটি পরীক্ষা করে ব্যাংক কর্মকর্তাদেরকে স্বর্ণালঙ্কার বিষয়টি জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী ব্যাংক চকবাজার শাখার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) আকিজ উদ্দিন বলেন, আমরা বিষয়টি দেখছি। গ্রাহকের কাছে মূল চাবি আছে, কিন্তু আমাদের কাছে নেই। তিনি এক মাস আগে ব্যাংকে এসে লকারটি পরীক্ষা করেছিলেন। আমাদের কাছে কোনো গ্রাহকের লকারের সঞ্চয় সম্পর্কে তথ্য থাকে না। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।

চকবাজার থানার ওসি ওয়ালি উদ্দিন আকবর বলেন, লকার রুমে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। ভিকটিম ও তার ছেলে থানায় জিডি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমরা ঘটনাটির গুরুত্বের কারণে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে বলেছি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com