শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু কিশোরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার তাড়াইলে দারুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি হোসেনপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নেপালের বন্যা: জলবায়ু পরিবর্তনের সীমান্তহীন হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ লাগানো লাশ উদ্ধার কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম-মুরগির দাম বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

তাড়াইল কৃষি কর্মকর্তার হাতে আফ্রিকান শামুকের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে অবহিতকরণ চিঠি 

রুহুল আমিন, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে
তাড়াইল কৃষি কর্মকর্তার হাতে আফ্রিকান শামুকের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে অবহিতকরণ চিঠি 

ক্ষতিকর আফ্রিকান শামুকের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে তাড়াইল কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা’র হাতে অবহিতকরণ লিখিত চিঠি দিয়েছেন পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অরণ্য’র সভাপতি জেনাস ভৌমিক।

রবিবার (২৩ জুন) দুপুর ৩ টায় তাড়াইল কৃষি কর্মকর্তা বরাবর ক্ষতিকর আফ্রিকান জায়ান্ট শামুকের প্রাদুর্ভাব, হুমকির মুখে কৃষি অবহিতকরণ চিঠিটি দেওয়া হয়।
অবহিতকরণ লিখিত চিঠি থেকে জানা যায়, তাড়াইল উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ক্ষতিকর আফ্রিকান জায়ান্ট শামুকের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষ এই শামুকের ক্ষতি করার সক্ষমতা সর্ম্পকে অবগত নয়। এই শামুক বিশ্বের যেসব দেশে ছড়িয়েছে সেসব দেশের জীব বৈচিত্র্যে ও কৃষি ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে। এরা ফসলের জন্য খুব ক্ষতিকর। বাগান নষ্ট করে ফেলে। সন্ধ্যা হলেই ঝাকেঝাকে বের হয়ে আসে। আর দিনের বেলায় অত্যাধিক সূর্যালোক থেকে বাচঁতে লুকিয়ে থাকে। অতি বৃষ্টির সময় এরা দালানের দেয়াল বেয়ে উপরে উঠে আশ্রয় নেয়। দালানের জন্যও এ শামুক ক্ষতিকর। এর মাংস খুবই শক্ত বিধায় পশু-পাখিরাও খেতে চায় না। তাই অনেক দেশে এই শামুক শতভাগ নির্মূলের জন্য রীতিমত যুদ্ধ করছে। এর মধ্যে অন্যতম হল আমেরিকার ফ্লোরিডা, ভারতের কেরেলা এবং কর্ণাটক রাজ্যের কোদাগু জেলা। ভারতের কৃষক গত তিন দশক ধরে এই শামুকের সাথে রীতিমত যুদ্ধ করে আসছে।
সম্প্রতি তারা সফলতার মুখ দেখতে পেরেছে। তারা এই শামুকের ব্যাপারে যে নীতি অনুসরণ করে তা হলো ‘ধর এবং মার’ নীতি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরাও এই শামুক নির্মূলের ব্যাপারে মতামত দিয়েছেন। সরজমিনে দেখা যায়, নিরীহ এ প্রাণীটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। বিচিত্র নতুন প্রজাতির এ শামুকটি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু ছড়িয়েই পড়েনি, হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে উপজেলার কৃষি ব্যবস্থাকে।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অরণ্য’র সভাপতি জেনাস ভৌমিক বলেন, শামুক হচ্ছে প্রাকৃতিক ফিল্টার। শামুক পরিবেশের বিশেষ বন্ধু হিসেবে পরিগণিত। আমাদের দেশীয় যে শামুক আছে সেটি উপকারী এবং তারা স্থলভূমিতে উঠে আসে না, বরং পানিতেই থাকে। কিন্তু আফ্রিকান জায়ান্ট শামুক গাছপালা, লতাপাতা, ফলমূল খেয়ে ধ্বংস করে। যা আমাদের দেশের কৃষির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ ।

তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা বলেন, ক্ষতিকর আফ্রিকান জায়ান্ট শামুকের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে অবহিতকরণ লিখিত চিঠিটি পেয়েছি। ইতিপূর্বে এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা ছিল না। উপজেলা কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেয়া হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com