শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তুরস্কে গুলিতে নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকুন্দিয়ায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২৯ দিন পর ঢাকায় গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে ১৫ কেজি গাঁজা ও নগদ টাকাসহ যুবক গ্রেপ্তার এলএনজি বিদ্যুতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, নতুন বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন রোনালদো

প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে, ভারতে পাচার ও মৃত্যু: যুবকের যাবজ্জীবন

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে
প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে, ভারতে পাচার ও মৃত্যু: যুবকের যাবজ্জীবন

ঢাকার আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানার নারী শ্রমিককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে ভারতে পাচারের পর মৃত্যু ঘটানোর ঘটনায় স্বামী সবুজ শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রায় ১৫ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজ শেখ (৩৭) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা বন্দিগাঁ গ্রামের সিরাজ শেখের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

ভুক্তভোগী নাদিরা সুলতানা নদী ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মেছোরদিয়া গ্রামের ইমাম উদ্দিনের মেয়ে। ঘটনার পর ২০১১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি নাদিয়ার বাবা আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, পোশাক কারখানায় পরিচয়ের সূত্র ধরে নাদিরা ও সবুজের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ২০১০ সালের ১৩ জুন তারা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর এক সপ্তাহ স্ত্রীর বাড়িতে অবস্থান করে চলে যান সবুজ। একই বছরের ৫ আগস্ট তিনি আবার এসে কাউকে কিছু না জানিয়ে নাদিরাকে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ২০ নভেম্বর নাদিরা পরিবারকে ফোনে জানান, তিনি এক বান্ধবীসহ স্বামীর বাড়িতে যাচ্ছেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন।

চার দিন পর ভারত থেকে একজন আইনজীবী পরিচয়ে বাদীর ছেলেকে ফোন করে জানান, নাদিরা পাচারের শিকার হয়ে দমদম সেন্ট্রাল জেলে আছেন। পরের দিন ওই জেলের শৌচাগার থেকে নাদিরার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সরকারি উদ্যোগে তার লাশ দেশে আনা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধরনের রায়ে অপরাধপ্রবণতা কমে আসবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com