বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ধানমন্ডি লেকের কাদা-বর্জ্য অপসারণ শুরু, হবে ‘নজরুল সরোবর’ এয়ারবাসের ১০ বিমান কিনতে বুধবার চুক্তি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে ভিসির স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ সাংবিধানিকভাবে জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, প্রায় ২ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ কিশোরগঞ্জে প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে র‍্যালি ও আলোচনা সভা রাণীনগরে এজেন্ট ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে পিটিয়ে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাই শিক্ষকদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী ২২ অক্টোবর ছুটি ঘোষণা, দুর্গাপূজায় মিলছে ৫ দিন বন্ধ সবুজে ভরে উঠেছে আমনের মাঠ, ভালো ফলনের আশা কৃষকদের

৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে
৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় শনিবার (৪ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত ২২ দিন লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই সময়ে জেলেরা প্রত্যেকে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল পাবেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে মৎস্য বিভাগ, জেলা-উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত বছরের অভিযান সফল হওয়ায় মাছের উৎপাদন বেড়েছে। এবারও অভিযান সফল হলে অধিক পরিমাণ ইলিশ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ হাজার ৩০০ জেলে নিবন্ধিত রয়েছেন। এসব জেলে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় ৪ অক্টোবর শনিবার মধ্যরাত থেকে ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত ২২দিন মেঘনা নদীতে সকল ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত মেঘনা নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এই একশ কিলোমিটার মেঘনা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় এসব এলাকায় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সকল ধরনের প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। নিষেধাজ্ঞার সময় প্রতি জেলেকে ২৫ কেজি করে খাদ্য সরবরাহ করা হবে। এবার ইলিশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ হাজার ৫০০ টন।

জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার বলেন, ইতোমধ্যে বরাদ্ধকৃত ভিজিএফের চাল জেলেদের মধ্যে বিতরণ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল দেয়া হবে। কেউ বাদ যাবে না।

তিনি বলেন, যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জেল-জরিমানা করা হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com