রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আলোচনা সভা শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ, তেলের দামও কমবে: ট্রাম্প কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে ধনিয়াপাতা সংগ্রহের সময় বজ্রপাতে শ্রমিক নিহত, আহত ১ কালের সাক্ষী ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক গোল মসজিদ হোসেনপুর উপজেলা পরিষদে বিশাল ভিমরুলের চাক, আতঙ্কে মানুষ নির্দোষ কেউ চাকরিচ্যুত হয়নি, ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী এসআরবি বিল পাস, র‍্যাব বিলুপ্ত বিএনপি আসার পর আইনশৃঙ্খলার ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকায় বিএনপি নেতা হত্যায় ৬ আসামির যাবজ্জীবন

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে
ঢাকায় বিএনপি নেতা হত্যায় ৬ আসামির যাবজ্জীবন

ঢাকার শ্যামপুর এলাকায় ২২ বছর আগে নাঈম শিকদার বিন্দু নামে এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ৬ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক জাকারিয়া হোসেন রোববার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন–শামীম হোসেন শিকদার, শহিদুল ইসলাম ওরফে ঠোঁটকাটা রিপন, শহীদ ওরফে ড্রাইভার শহীদ, শহিদ হোসেন ওরফে সেঞ্চু, দুলাল ওরফে কালা দুলাল ওরফে জাকির হোসেন এবং আমিনুল ইসলাম।

তাদের মধ্যে ড্রাইভার শহীদ বিচার চলাকালেই মারা গেছেন বলে আদালতের কর্মীরা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী ফকির জাহিদুল ইসলাম বলেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম দেওয়া হয়েছে।

মৃত ব্যক্তির সাজার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের স্যার বিচার চলাকালে কোনো আসামি মারা গেলেও দণ্ডিত হলে তাকে সাজা দেন।”

আসামিদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক অপর আসামিদের নামে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায় সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে নাঈমের সঙ্গে আসামিদের দ্বন্দ্ব চলছিল। আসামিরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

২০০৪ সালের ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে শ্যামপুরের ২১৩ নম্বর কলিমুল্লাহ বাগ বটতলার গোল্ডেন হেয়ার ড্রেসারের সামনে আসামিরা নাঈমকে গুলি করে হত্যা করে।

নাঈমের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন পরদিন কদমতলী থানায় ১১ জনের নামে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শুরু করে থানা পুলিশ। তবে তদন্তের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এবং ঘাতকদের শনাক্ত করতে না পারায় মামলার তদন্তভার পায় ডিবি পুলিশ।

ডিবি পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেলেও এজাহারভূক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। সাবিনা ইয়াসমিন তাতে আপত্তি জানালে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুল রহমান ভূঁইয়া। ২০১৪ সালের ৩০ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি আমিনুল আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চায়।

অপর আসামিরা পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত ছয়জনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিল।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com