কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেললাইন সংরক্ষণে দেওয়া বাউন্ডারিতে গৃহবন্দী হওয়ার মুখে পড়েছে অন্তত দুই শতাধীক পরিবার। রেলের জায়গা বেদখল মুক্ত করতে আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রেললাইনের পাশে বস্তীর ঘর ঘেসে সীমানা নির্মাণের কাজ শুরু করলে বিকল্প রাস্তার দাবি জানান বস্তীবাসীরা। ঘন্ট্যাব্যাপি মানববন্ধন কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে বস্তীবাসীর যাতায়াতের বিকল্প রাস্তা নিশ্চিতকরণে প্রধানমন্ত্রীর সুনজর কামনা করেন তারা।
বস্তীবাসীরা জানান, দেশ স্বাধীনের পর থেকে রেললাইনের পাশের এই বস্তীতে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে অনন্ত ৬শতাধীক মানুষ। বাড়ির একপাশে পুকুরপাড় থাকায় রেললাইনের পাশ দিয়েই তাদের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা। কিন্তু তাদের ঘর ঘেসে যে সীমানা দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে এতে করে যাতায়াতের কোনো রাস্তা না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়বেন তারা। এছাড়াও এদেশে ৬লাখ রহিঙ্গাদের স্থান হলে নাগরিক হয়েও বস্তীবাসীরা কেন স্থান পাবে না এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বস্তীবাসীরা। তাই গৃহবন্দী না করে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিকল্প রাস্তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
বস্তীবাসীদের জন্য বিকল্প কোনো রাস্তা রাখা হবে কিনা জানতে চাইলে ভৈরব জংশনের উর্দ্ধতন উপ-প্রকৌশলী মিঠুন কুমার মুঠোফোনে জানান, সারা বাংলাদেশে রেলের জায়গা সংরক্ষণের জন্য বড় বড় স্টেশন গুলোতে বাউন্ডারি নিমার্ণের কাজ শুরু করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ভৈরবেও কাজ চলছে। তবে বস্তীবাসীর দাবি-দাওয়ার বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।