বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ঢাকা মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত পাকুন্দিয়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু স্পেনে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান কিশোরগঞ্জে ইমরান হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুড়ল ৩ ঘর চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে তাঁত কারখানা বন্ধ দুর্ভোগে দেড় হাজার তাঁতী

সালাহউদ্দিন শুভ
  • আপডেট সময় বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুর গত ২৪ মার্চ থেকে মণিপুরি কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সারাদেশের মত বন্ধ রয়েছে তাঁতবস্ত্র বুনন। তবে তাঁতীরা নিজ বাড়িতে তাঁতবস্ত্র বুনন চললেও বাজারে সরবরাহ করতে না পেরে নানা সমস্যায় পড়ে দুর্ভোগে দেড় হাজার তাঁতীরা।

সম্প্রতি আদমপুর মণিপুরি কমপ্লেক্সে গেলে সেখানকার মণিপুরি তাঁতবস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান প্রশিক্ষক সৌদামনি সিন্হা বলেন, এখানে নিচতলায় ৭টি তাঁত ফ্রেম রয়েছে। এখানে বেশ উন্নত মানের তাঁতের শাড়ি, ওড়না ও ইনাফি তৈরী করা হয়। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে তাঁতের ৫টি ফ্রেম। দ্বিতীয় তলার ফ্রেম তাঁতে সিল্কের ও ভারতীয় সুতা দিয়ে উন্নতমানের ওড়না ও ইনাফি তৈরী হয়। এ কমপ্লেক্সে ১৬ জন তাঁতী কাজ করেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় ২৪ মার্চ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক এই তাঁত কারখানা বন্ধ রয়েছে। মৈতৈ, বিষ্ণুপ্রিয়া ও পাঙাল (মণিপুরি মুসলিম) এই তিন সম্প্রদায়ের কমপক্ষে এক হাজার তাঁতী নিজ নিজ বাড়িতে কোমর ও ফ্রেম তাঁতে কাজ করেন। প্রাতিষ্ঠানিক কারখানায় কাজ বন্ধ থাকলেও তারা বাড়ির তাঁতে কাজ করছেন। বাজার বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো সুতা পাওয়া যাচ্ছে না বলে তাদের তৈরী তাঁতবস্ত্র বাজারজাতও করা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে তারা মহাজনের কাছে আটকা রয়েছেন।

সৌদামনি সিনহা আরোও বলেন, যে শাড়ির দাম আগে ১৪০০ টাকা ছিল এখন তা মহাজনের কাছে ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও আবার সময়মত টাকা পাচ্ছেন না তারা।

আদমপুরের তেতইগাঁও গ্রামে মণিপুরি তাঁতী জয়ন্তি দেবী ও আশা রানী দেবীকে দেখা যায় তারা দুইজনই নিজ বাড়িতে ফ্রেম তাঁতে ওড়না তৈরীতে ব্যস্ত আছেন। তারাও জানান, এখন বাজার বন্ধ থাকায় মহাজনের ইচ্ছেমত দামে অনেক কম দামে তৈরী তাঁতবস্ত্র বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজার খোলা থাকলে তৈরী বস্ত্র হাতে রেখে যাচাই করে তৈরী তাঁত বস্ত্র বিক্রি করা যেত। এ জন্য এখন মণিপুরি তাঁতীরা দুর্ভোগের শিকার বলে তারা জানান।

আদমপুর ইউপির জালালপুর গ্রামের বাঙালী তাঁতী নুর নাহার ও বন্ধেরগাঁও গ্রামের বাঙালী তাঁতী শারমিন আক্তার বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে তারাও মনিপুরি তাঁতবস্ত্র তৈরী করেন। আদমপুর ও ইসলামপুর ইউপিতে কমপক্ষে ৫০০ বাঙালী তাঁতী রয়েছেন বলে তারা জানান। তারা বর্তমান সময়ে বাড়িতে তাঁতবস্ত্র বুনন করলেও বাজারজাত করতে না পারায় তারা মহাজনের দয়ার উপর নির্ভরশীল। সুতার দাম তেমন না বাড়লেও তৈরী বস্ত্র বাজারে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে মহাজনের দেওয়া দামে বস্ত্র বিক্রি করতে হচ্ছে।

তবে আদমপুরের সূতা ব্যবসায়ী ও তাঁতবস্ত্র ক্রয়কারি মহাজন মজর আলী বলেন, সূতার দাম বাড়েনি। তবে বাজার বন্ধ থাকায় তাঁতীরা তৈরী বস্ত্র বিক্রি করতে পারছেন না। তিনিও তৈরী বস্ত্র সামান্য মূল্য হাতে রেখে ক্রয় করছেন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com