কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯শ ৭০বোতল ফেন্সিডিলসহ শুক্কুর মিয়া (২৫) ও আলী আহম্মেদ (২৮) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। গতকাল শনিবার বিকেলে শহীদ ভৈরব টোলপ্লাজা এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় মাদকদ্রব্য পাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস (চট্ট মেট্রো-চ-৫১-১১১৮) জব্দ করেন র্যাব সদস্যরা।
শনিবার সন্ধ্যায় র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানী কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ীচক্র সিলেট থেকে সিলভার রংয়ের মাইক্রোবাসে করে ফেন্সিডিলের একটি বড় চালান নারায়ণগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের ও স্কোয়াড কমান্ডার উপ-পরিচালক চন্দন দেবনাথ এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ এলাকায় তল্লাশী চৌকি স্থাপন করেন। এসময় পূর্বে সংবাদপ্রাপ্ত মাইক্রোবাসটি তল্লাশী চৌকির কাছে আসলে থামানোর সংকেত দিলে সংকেত অমান্য করে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে।
পরে র্যাব সদস্যরা মাইক্রোবাসটির পিছু ধাওয়া করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরবের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতুর টোলপ্লাজা এলাকা থেকে মাইক্রোবাসটিকে আটক করতে সক্ষম হন। মাইক্রোবাসটি আটকের পর গাড়ির ভেতর থেকে ৯শ ৭০বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয় এবং মাদক ব্যবসায়ী হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া এলাকার সিতু মিয়ার ছেলে শুক্কুর মিয়া এবং সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার সুপরাকান্দি গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে আলী আহম্মেদকে আটক করা হয় ।

এছাড়াও আটককৃতদের বিরুদ্ধে র্যাব বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর ভৈরব থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।