রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু কিশোরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার তাড়াইলে দারুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি হোসেনপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নেপালের বন্যা: জলবায়ু পরিবর্তনের সীমান্তহীন হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ লাগানো লাশ উদ্ধার কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম-মুরগির দাম বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

পাকুন্দিয়া পল্লী বিদ্যুৎ যায় না, মাঝে মধ্যে আসে

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
পাকুন্দিয়া পল্লী বিদ্যুৎ যায় না, মাঝে মধ্যে আসে

পাকুন্দিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ যায় না, মাঝে মধ্যে আসে। পাকুন্দিয়া উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া একজন গ্রাহক এমন মন্তব্য করেছে।

পাকুন্দিয়ার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কোন এলাকায় কেমন সে বিষয়ে অনেকেই ফেসবুকে এই ধরনের মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি কয়েক মাস ধরে বিদ্যুৎ থাকা না থাকার ভেলকি বাজির খন্ড চিত্র তুলে ধরছেন নিজেদের ফেসবুকে।

সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করে বুঝা যায় উপজেলা পৌর সদরের বাহিরে বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা লোড শেডিং করোনাকালীন সময়ে মানুষ ঘরবন্ধি বিধায় নিয়মিত টিভিও দেখতে পারছেন না বিদ্যুতের অভাবে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া আসায় নষ্ট হচ্ছে কোরবানীর গোস্ত, ইলেকট্রনিক্স পণ্য। এর মধ্যে কিছু গ্রাহক ভুতুরে বিদ্যুৎ বিলের যন্ত্রনায়ও আছে।

বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদের সেই দিকে নজর নেই। সমস্যা সমাধানে গাফিলতির পাশাপাশি কর্তা ব্যক্তিদেরকে ফোন করলে বিরক্ত হয়ে নানা কটু কথা শুনিয়ে দেওয়ার নজির বহু আছে।

উপজেলার ঝাউগারচর গ্রামের পল্লী চিকিৎস্যক মানিক মিয়া বিদ্যুতের সমস্যা নিয়ে ডিজিএম এর সঙ্গে ফোন করার পর ডিজিএম বেশ বিরক্ত হতে শোনা যায়। বরাটিয়া গ্রামের ফরহাদ হাসান জানান সন্ধা ৬টার পর বিদ্যুৎ চলে যায়। কখন যে আসে তা বলা খুব কঠিন। ঝাউগারচর গ্রামের নজরুল মেম্বার বলেন ঈদের পর কতবার যে বিদ্যুৎ যাওয়া আসা করেছে সেটার হিসাব রাখতে একজন বেতনধারী কর্মচারীর প্রয়োজন। চরকুর্শা গ্রামের কল্পনা নামের একজন শিক্ষিকা বলেন মনে হয় বিদ্যুৎ ফ্রি চালাই, দিলে দিলও না দিলে নাই। কিন্তু মাস শেষে ঘর বিলের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে জোঁকের মত টাকা চুষে নিচ্ছে। মির্জাপুর গ্রামের খোকন নামের একজন জানান কিছু দিন আগে বিদ্যুতের এমন পরিস্থিতি ছিল না। সামান্য ঝড় বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ পেতে দুই দিন সময় লাগে বলে জানিয়েছেন।

পাকুন্দিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ শহীদুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ঝড়ে তার ছিড়ে যাওয়ায় ‘গাছ ভেঙ্গে পরায় বিদ্যুৎতের সমস্যা দেখা দেয়। বিষয়টি সবার বুঝতে হবে। একেবারে শতভাগ সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন পাকুন্দিয়া বর্তমান সাবষ্ট্রেশনটি নতুন, সেটির কাজ শেষ হলে কোন সমস্যা থাকবে না।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com