বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জে ৩৪ দিন ধরে নিখোঁজ তরুণী চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস মোটরসাইকেলের সাইলেন্সের বিকট শব্দ, কিশোরের ২০ হাজার টাকা জরিমানা সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে: তথ্য উপদেষ্টা মজুদ থাকলেও বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার নির্দেশ, সিনিয়র নার্সকে শোকজ যে দ্বীপে হাজারো তাইওয়ানিজ সাইকেল নিয়ে ঘোরেন রংপুরে চার হত্যাকাণ্ড: আসামি ও পুলিশ কর্মকর্তার একই শার্ট নিয়ে চাঞ্চল্য ১৮০ দিনে বিএনপি সরকার নিদারুণভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে: নাহিদ ইসলাম

ঘূর্ণিঝড় রাইয়ে লণ্ডভণ্ড ফিলিপাইন, ১২ জনের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে
ঘূর্ণিঝড় রাইয়ে লণ্ডভণ্ড ফিলিপাইন, ১২ জনের প্রাণহানি

বৃহস্পতিবার বয়ে যাওয়া এই ঝড়ের কবল থেকে বাঁচতে ইতোমধ্যে ৩ লাখেরও বেশি মানুষ বাড়িঘর ও সমুদ্রতীরবর্তী রিসোর্টগুলো ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।

ফিলিপাইনের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের নির্বাহী পরিচালক রিকার্ডো জালাড এএফপিকে জানান, টাইফুনে মৃতদের সবাই দেশটির জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট স্পট বলে পরিচিত পালাওয়ান দ্বীপের। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিয়ারগাও, ভিসায়াস এবং মিন্দানাও দ্বীপও।

অবকাঠামোগত হিসেবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিয়ারগাও দ্বীপ। ফিলিপাইনের সংবাদমাধ্যম এবিএস-সিবিএনের প্রতিনিধি ডেনিস দাতু এএফপিকে বলেন, ‘সিয়ারগাও দ্বীপে কোনো ভবন অক্ষত অবস্থায় নেই। দ্বীপের প্রতিটি ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

‘শহরে বোমা পড়লে বা সামরিক আগ্রাসন শুরু হলে মানুষ যেমন হতভম্ব-উদভ্রান্ত হয়ে যায়, সিয়ারগাও দ্বীপের লোকজনের মানসিক অবস্থাও এখন তেমনি।’

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সিয়ারগাও দ্বীপে আছড়ে পড়া রাই ছিল ‘সুপার টাইফুন’। ওই সময় ওই দ্বীপে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার (১২০ মাইল)। শুক্রবার সকালে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার।

এএফপিকে দাতু জানান, সিয়ারগাওসহ ফিলিপাইনের পুরো মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে প্রবল বর্ষণজনিত কারণে ভূমিধস, গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে চলাচলের অযোগ্য অবস্থায় আছে অধিকাংশ সড়ক। অসংখ্য বাড়িঘরের ছাদ-দরজা-জানালা উড়ে গেছে প্রবল ঝড়ো বাতাসে।

আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ফিলিপাইন শাখার প্রধান আলবার্তো বোকানেগ্রা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা যা দেখছি, তা একটি ধ্বংসযজ্ঞের খণ্ডচিত্র মাত্র। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুরো চিত্র আমাদের সামনে হাজির হবে এবং নিঃসন্দেহে সেটি অনেক ভয়াবহ।’

একই কথা বলেছেন ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলীয় দ্বীপপ্রদেশ বোহলের বাসিন্দা জোয়েল দারুনদেও (৩৭)। পেশায় ট্যুর অপারেটর দারুনদে এএফপিকে, ‘ক্ষয়ক্ষতি কী পরিমাণ হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো অবস্থা আমাদের কারোরই নেই। আমি শুধু বলতে পারি, গত ৩০ বছরে এত বড় ও বিধ্বংসী টাইফুন আমরা দেখিনি।’

দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় অপর শহর ইলোইলোয় হোটেল রিশেপসনিস্টের চাকরি করা কেড গোলিঙ্গাই জানান, তিনি এখনও আতঙ্ক থেকে বের হতে পারেননি। এএফপিকে তিনি বলেন, ‘ঝড়ের পর থেকে ঘুমাতে পারছি না, যখনই ঘুমানোর চেষ্টা করছি- ভয় হচ্ছে এই বুঝি বাড়িঘর ভেঙে পড়ল আমার ওপর।

ফিলিপাইনে বর্ষাকাল থকে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। বেশিরভাগ টাইফুন এই সময়েই হয়ে থাকে। তবে রাই আঘাত হেনেছে এমন সময়ে, যখন দেশটিতে বর্ষাকাল শেষ হয়েছে প্রায় দু’মাস আগেই।

বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ুগত দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোর একটি হলো ফিলিপাইন। প্রতিবছর গড়ে ২০ টি টাইফুন দেশটির বিভিন্ন অংশে আঘাত হানে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com