মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আজই প্রজ্ঞাপন হতে পারে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল তাড়াইলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন ও জেলে সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ বদলগাছীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৪০০ দুস্থের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় অটোবাইকের চাপায় ৬ বছরের শিশু নিহত ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

ভৈরবে টাকা না দিয়ে চাষীর অর্ধমণ মধু নিয়ে গেলেন কৃষি কর্মকর্তা!

হৃদয় আজাদ, ভৈরব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে
ভৈরবে টাকা না দিয়ে চাষীর অর্ধমণ মধু নিয়ে গেলেন কৃষি কর্মকর্তা!

প্রতি বছর সরিষা আবাদের মৌসুমে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় মৌ-বক্স পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ করেন মৌ-চাষীরা। আর এতে সার্বিক সহায়তা করার কথা স্থানীয় কৃষি অফিসের। কিন্তু নেতিবাচক এক ঘটনা ঘটেছে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ গ্রামের আদর্শপাড়ায়। খোদ কৃষি অফিসার ও অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চাষীকে টাকা না দিয়ে উর্দ্ধতন কর্তপক্ষের নাম ভাঙ্গিয়ে অর্ধমণ মধু নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভোক্তভোগী চাষী মোঃ ছফির উদ্দিন। গ্রামবাসী ও অফিস পাড়ায় এই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে।

লিখিত অভিযোগ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কৃষি অফিসের কৃষি কর্মকর্তা পরিদর্শনে গিয়ে টাকা ছাড়া মধু নিতে গেলে শুরু হয় বাক বিতন্ডতা। এসময় জেলা কৃষি কর্মকর্তা, স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী কর্মকর্তাকে এই মধু দেওয়া হবে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তারা। এছাড়াও মধুর মূল্য চাইলে বিভিন্ন ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। বাক বিতন্ডার একপর্যায়ে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তোপের মুখে নাম মাত্র কিছু টাকা দিয়ে (১৫শ) তরিগরি করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তারা। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নাম ভাঙ্গিয়ে দুই ধাপে সাড়ে আঠার কেজি মধু নেওয়া হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগী মধু চাষী মোঃ ছফির উদ্দিন জানান, আমি ক্ষুদ্র মধু চাষী। মধু চাষ করে আমি জীবিকা নির্বাহ করি। টাকা ছাড়া মধু নেওয়ায় কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষি সম্প্রসাধরণ কর্মকর্তাসহ এমন অসাধু কর্মকর্তাদের বিচার ও শাস্তির দাবী করছি।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি মধু নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ ভূল বুঝাবুঝি। অফিসে এসে চাষীকে তার মধুর মূল্য নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি আসেন নি।

বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ বলেন, মধু দেওয়া-নেওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত নন এবং এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। এছাড়াও লিখিত অভিযোগ পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ ও ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com