কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি) মো. কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চরফরাদী ইউনিয়নের চরতেরটেকিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আবদুল মান্নানের (নৌকা প্রতীক) কর্মী মো. মাসুদ মিয়াকে মারধর করা হয়। মাসুদ মিয়া চরতেরটেকিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই মাসুদ মিয়া বাদী হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিনকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২জনের নামে পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন তার ১০-১২জন কর্মী সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে মাসুদ মিয়ার বাড়ির সামনে যায়। সেখানে গিয়ে মাসুদ মিয়াকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় মাসুদ মিয়া এর প্রতিবাদ করায় তার উপর হামলা চালায় কামাল উদ্দিনের কর্মী সমর্থকরা। এতে মাসুদ মিয়া গুরুত্বর আহত হয়। তার ডাকচিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এলে তারা চলে যায়। যাওয়ার সময় তারা বলে যায়, সুযোগমত পেলে তোকে (মাসুদ মিয়াকে) খুন করে ফেলা হবে। পরে এলাকাবাসি মাসুদ মিয়াকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।
হামলায় আহত মাসুদ মিয়া বলেন, আমি নৌকা প্রতীকের নির্বাচন করায় মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে মারপিট করেছে। এছাড়াও আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে।
এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার শরীরে কেউ কোন টাস করেনি। সে আমার বিরুদ্ধে একটি নাটক সাজিয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সারোয়ার জাহান বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের জন্য কোর্টে পাঠানো হয়েছে।