কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের কাজলা গ্রামে ৩০ মণ ওজনের ভাটির রাজা’কে (ষাঁড় গরু) দেখতে কৃষক মতিউর রহমানের বাড়িতে উৎসুক জনতার ভীড় লেগেছে।
জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির জন্য ৩০ মণ ওজনের ভাটির রাজা’র (ষাঁড় গরু) দাম চাচ্ছেন কৃষক মতিউর রহমান ১২ লাখ টাকা। উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের মধ্য কাজলা গ্রামের আহম্মেদ এগ্রো ফার্মের মালিক কৃষক মতিউর রহমান স্থানীয় এক কৃষকের কাছ থেকে দেড় বছর বয়সী ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ছোট ষাঁড় গরু কিনে এনে লালন পালন করে আসছেন। বর্তমানে ভাটির রাজার বয়স দাঁড়িয়েছে সাড়ে তিন বছর। ভাটির রাজা’র উচ্চতা হল ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। বুকের মাপ হল ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি। সাড়ে ৩ বছরের ভাটির রাজার বর্তমান ওজন দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০০ কেজি। কৃষক মতিউর রহমান আশা করছেন আগামী ঈদুল আজহা পর্যন্ত লালন-পালন করলে তার ওজন আরো বাড়বে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কদর বেড়েছে রাজার। এরই মধ্যে রাজাকে দেখতে খামার মালিক মতিউর রহমানের বাড়িতে আশপাশের এলাকা থেকে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।
আহম্মেদ এগ্রো ফার্মের মালিক মতিউর রহমান বলেন, স্থানীয় কৃষকের কাছ থেকে ষাঁড় গরুটি ক্রয় করে এনে দেশি পদ্ধতিতে মোটাতাজা করার প্রক্রিয়া শুরু করি। আমার বাড়ি ভাটি অঞ্চলে হওয়ায় শখ করে এই গরুটির নাম রেখেছি ভাটির রাজা। ভাটির রাজার খাদ্য তালিকায় রয়েছে,শুকনো খড়, গমের ভুসি, খেসারির ভুসি, ভুট্টা ভাঙা, কলা ও নিজস্ব জমির কাঁচা ঘাস। তিনি আরো বলেন, ভাটির রাজার দাম হাঁকছি ১২ লাখ টাকা। তবে আলোচনা মাধ্যমে কম-বেশি হলেও বিক্রয় করে দেবো। আগ্রহী ক্রেতাদেরকে যোগাযোগ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।