বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ঢাকা মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত পাকুন্দিয়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু স্পেনে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান কিশোরগঞ্জে ইমরান হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুড়ল ৩ ঘর চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

তাড়াইলে সোনালী আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত কৃষক

রুহুল আমিন, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই, ২০২২
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে
তাড়াইলে সোনালী আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত কৃষক

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে সোনালী আঁশ পাট চাষে সুদিন ফিরেছে কৃষকের। শস্য ভান্ডার খ্যাত তাড়াইল উপজেলায় এ বছরের পাট মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও পাটকাঠি থেকে পাট ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ৭৪৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। গত বছর ৭১০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল। এ মৌসুমে উপজেলায় দেশি ১৩০ হেক্টর, তোষা ৩৩ হেক্টর, কেনাফ ৪১০ হেক্টর এবং মেস্তা ১৭৫ হেক্টরসহ মোট ৭৪৮ হেক্টর জমিতে কৃষকরা পাট চাষ করেছেন।

তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর পাটের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাট কেটে তা বিভিন্ন জলাশয়ে জাগ দিচ্ছে কৃষক। কৃষকরা পাট কেটে নদী-নালা, খাল-বিল ও ডোবায় জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো এবং বাজারে বিক্রিসহ সব মিলিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবার কোথাও কোথাও দেখা গেছে, নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর কাজ চলছে। পাটের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর পাট চাষে ঝুঁকেছে কৃষক। গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় কৃষক পাট চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছিলেন। অনেক কৃষকই বলছেন পাট চাষিদের সুদিন ফিরেছে।

উপজেলার তাড়াইল-সাচাইল সদর ইউনিয়নের কালনা গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, এক বিঘা জমিতে পাট চাষে প্রায় ৭-৮ হাজার টাকা খরচ হয়। পাট উৎপাদন হয় প্রায় ৮-১০ মণ। যার বাজারদর প্রায় ২২-২৪ হাজার টাকা। এছাড়া বিঘা প্রতি প্রায় ২ হাজার টাকার পাটকাঠি পাওয়া যায়। গত বছর ভরা মৌসুমে প্রতি মণ পাট ২ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও ক্রমশই পাটের দাম বাড়তে থাকে। গতবছর সর্বশেষ প্রায় ৪ হাজার টাকা মণ পাট বিক্রি হয়েছে। ফলে যারা পাট ভরা মৌসুমে বিক্রি না করে রেখে দিয়েছিলেন তারা বিঘা প্রতি অতিরিক্ত ১০-২০ হাজার টাকা লাভবান হয়েছেন। এ বছর ভালো দামে পাট বিক্রি করতে পারবে এমনটাই আশা করছেন পাট চাষিরা।

তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, গত বছর পাটের আবাদকৃত জমির পরিমান ছিল ৭১০ যা এবছর বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪৮ হেক্টরে পৌঁছেছে। উপজেলার তালজাঙ্গা, দামিহা ও দিগদাইড় ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পাট চাষ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পাট চাষিদের সুদিন ফিরেছে। পাট চাষ করে কৃষক এখন অনেক লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে পাট চাষিদের নিয়ে আরো ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com