বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে খুঁটি অপসারণের জন্য মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে যদিও চিঠির বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অস্বীকার করেছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিভিন্ন গাড়ির চালকেরা অভিযোগ করে বলেন, ঢালাই এর কাজ শুরু হওয়ার আগে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য বারবার বলা হয়েছে। কিন্তু কেউ আমাদের কথা শুনেনি। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় খুঁটিগুলো থাকার কারণে সবসময় ছোটখাটো দূর্ঘটান ঘটছে। এখান থেকে খুঁটি অপসারণ না করলে যে কোন সময় বড়ো ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ভানুগাছ বাজার পৌর বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, শুধু জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক নয় এখান থেকে চারদিকে চারটি রাস্তার সংযোগ রয়েছে। এই সড়কে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ কিভাবে সড়কের ওপর তিনটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই আরসিসি ঢালাই এর কাজ সম্পন্ন করলেন তা আমরা জানি না। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কের ওপর থেকে খুঁটি অপসারণ করার দাবি জানান তিনি।
সড়কে খুঁটির বিষয়ে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কমলগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম মীর গোলাম ফারুক বলেন, বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ আমাদের কাছে লিখিত কোন চিঠি পাঠাননি। সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত লিখিত কোন আবেদন আসেনি। লিখিত আবেদন আসলে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য এখন থেকে প্রায় তিন মাস আগে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কাছে লিখিত চিঠি ও টাকা পাঠিয়েছি কিন্তু তাঁরা সড়কের ওপর থেকে খুঁটি অপসারণের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।