মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কালেঙ্গা এলাকায় গেলে দেখা যায় ছোট এটা পুকুর আর সেই পুকুরের অল্প জায়গার মাঝে ভেসে থাকতে দেখা যায় লাল শাপলা ফুল। এদিকে আবার উপজেলা সহকারি ভূমি কমিশনার সুমাইয়া আক্তারে বিশেষ উদ্যোগে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সরকারি যায়গায় পুকুর কখন করে সেখানে মাছ ফালানো হয় আর সেই পুকুরের সুন্দর্য্য বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন যায়গা থেকে এনে পুকুরের ছাড়িদিকে শাপলা ফুল পালানো হয়। আর সেই ফুলগুলো (সাদা রংঙের) পুকুরে ভেসে থাকতে দেখা যায়। কিন্ত এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে শাপলা ফুল। এক সময়ের ভালোবাসা আর মনমুগ্ধকর ঘ্রাণ যেন ছিল শাপলা ফুলে মাঝে। তেমনি ছিল মানুষের মুখে মুখে একটা ফুলের নাম শাপলা, এক সময়ে এই শাপলা ফুল ছিল সবার মাঝে ভালোবাসার রং চুলের খোঁপায় গেঁথে থাকত আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা। কিন্তু হারাতে বসেছে সেই গ্রামের প্রাচীন ঐতিহ্য শাপলা ফুল।
ভোরের উষ্ণতা কিচিরমিচির পাখির ডাক এক সময়ের সেই প্রকৃতির মাঝে শীতের কুয়াশা কাটতে না কাটতেই সূর্যের ঝলকানিতে শাপলা ফুলের হাসি অনুভব করতেন মানুষ। কিন্তু প্রাচীনের সেই মানুষের প্রকৃতির ভালোবাসা আর শাপলা ফুল আজ বিলুপ্তির পথে, হারাতে বসেছি আমরা জাতীয় ফুল শাপলা।
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা তেমন আর চোখে পড়ে না। এক সময়ে গ্রামীণ জনপদের পুকুর-দীঘি, ডোবা-বিলে শাপলা ফুল মানুষের মনকে মুগ্ধ করত। প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে এ ফুল ছিল সাহিত্যের ছন্দমিলানোর উপকরণ। ফুলের সৌন্দর্যে পুকুর-দীঘি দেখতে আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর। শাপলা ফুল দুই প্রকারের। সাদা শাপলা ও রক্ত শাপলা। রক্ত শাপলা সবচেয়ে আকর্ষণীয়।
জাতীয় এ ফুলকে শিক্ষার্থীদের প্রদর্শন করে দেখানোর জন্য গ্রামগঞ্জের কিছু কিছু পুকুর-দীঘিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এ ফুলের চাষাবাদ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অনেকেই।বিশেষ করে সরকারি খাস জায়গায় প্রতিষ্ঠিত পুকুর-দীঘি কিংবা পতিত জলাশয়ে মনোমুগ্ধকর এ ফুলের চাষাবাদ করা এখন সময়ের দাবি।শাপলা ফুল রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আশা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রকৃতিপ্রেমী সচেতনমহল।