গর্ভবতী নারীর দেখাশোনার জন্য আরেকজন নারীকে নিয়োজিত করেন তিনি। বৃষ্টিতে কাঁদা মাখা অবস্থায় ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন চুমকি। পরে ওসি হুমায়ুন কবির দ্রুত বাসায় গিয়ে নিজের স্ত্রীর কাছ থেকে নতুন কাপড় এনে দেন। ব্যবস্থা করেন ঔষধ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মানসিক ভারসাম্যহীন এই নারীর নাম চুমকি বেগম (৩০)। তিনি গর্ববতী ছিলেন। রাত সাড়ে নয়টায় সারা শহর বিদ্যুৎহীন। প্রকৃতিজুড়ে মুসলধারে বৃষ্টি। বৈরী এই আবহাওয়ায় সড়কে মানুষের আনাগোনাও কম ছিল। এসময় চুমকি প্রসববেদনা নিয়ে মানুষের সাহায্যর আশায় রাস্তায় পড়ে ছটফট করতে থাকে।
হাসপাতাল নেয়ার পর সেখানকার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মিদের প্রচেষ্টায় মানসিক ভারসাম্যহীন চুমকি ফুটফুটে এক নব জাতকের জন্ম দেয়। খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে ছুটে আসেন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার আজাদ। বর্তমানে চুমকি ও তার নবজাতক শিশু সুস্থ আছেন বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন।
সুবিধা বঞ্চিত একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর জন্য শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের এমন মানবিক ভুমিকার জন্য সাধারণ মানুষ ওসি হুমায়ুন কবির ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের প্রশংসা করেছেন।
এর আগে করোনাকালীন সময়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ ক্ষুধার্ত মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছানোর কর্মসূচি পালন করে সাধারণ মানুষের প্রশংসা অর্জন করে।