নানাবিদ সমস্যায় জর্জরিত কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস। সরকারের বড় ধরনের রাজস্ব আয়ের উৎস এই প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর হওয়ার পর থেকে অযত্ন অবহেলা সংস্কারের অভাবে একেবারেই ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। দেশের প্রতিটি সরকারী দপ্তরের ভবন গুলোতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা হলেও এই প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নের কোন ছোয়া লাগেনি।
জানা যায়, ১৯৭৯ সালে হোসেনপুর উপজেলা থেকে অফিস স্থানান্তর করে পাকুন্দিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভাড়াটিয়া বাড়িতে কার্যক্রম চালানো হতো। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে উপজেলার সদরের পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং কার্যালয়ে কার্যক্রম চলে। ২৫ বছর পার হয়ে গেলেও ভাগ্যের বিন্দুমাত্র কোন পরিবর্তন হয়নি। অফিস ঘরটি পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং বর্ষাকালে একটু বৃষ্টি হলে বিল্ডিংয়ের ছাদ ছুয়ে পানি পড়ে। এতে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজ, দলিলপত্র ও ভলিয়ম বই নষ্ট হয়ে যাইতেছে। অফিস ঘরের দেওয়ার প্লাষ্টার, চুন, ইট, বালু, খসে পড়ে যাচ্ছে। বয়সী জানালা, দরজা ও আসবাবপত্র ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।
যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের প্রতিটি দপ্তরের ভবন গুলোকে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা হলেও সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। অফিস কক্ষে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় অফিস চলাকালীন অফিস সহকারী, নকল নবীশ, পিয়ন, দলিল লেখক, জমি দাতা, গ্রহিতাদের গা ঠাসাঠাসি করে কাজ করতে হয়। সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বিশ্রাম ও বসবাসের জন্য আবাসন মানসম্মত টয়লেট এবং বাথরুমের কোন সুব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা সাব রেজিষ্টার মহসিন উদ্দিন আহমেদ বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শ ছাড়া কোন মন্তব্য করা ঠিক নয়। তবে সমস্যার মোকাবেলা করেই অতীতের কর্মকর্তাদের মত আমাকেও সরকারী দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।