রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু কিশোরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার তাড়াইলে দারুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি হোসেনপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নেপালের বন্যা: জলবায়ু পরিবর্তনের সীমান্তহীন হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ লাগানো লাশ উদ্ধার কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম-মুরগির দাম বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

মাদরাসার সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকাসহ ৭৪ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে
মাদরাসার সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকাসহ ৭৪ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বর্ষাগাতী বালিকা দাখিল মাদরাসার সুপার মো. নজরুল ইসলাম ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মহিবুর রহমানের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে এক নারীর কাছ থেকে নগদ ১২ লাখ টাকা ও ৭৪ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাকুন্দিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনেন উপজেলার আঙ্গিয়াদী আদিত্যপাশা গ্রামের ভুক্তভোগী নারী মোছা. জোসনা আক্তার। তিনি ওই গ্রামের মৃত বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আ. মান্নানের স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ভুক্তভোগী নারী জোসনা আক্তারের পক্ষে তাঁর মেয়ে ইয়াসমিন আক্তার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোছা. জোসনা আক্তার, ইয়াসমিন আক্তারের স্বামী মো. আল ফারুক, প্রতিবেশী মো. সোয়েব মিয়া ও চরফরাদী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মো. তাজ উদ্দিন খান সম্রাট প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জোসনা আক্তার বলেন, ২০২১ সালে আমার মেয়ে ইয়াসমিন আক্তারকে আয়াপদে ও নাতী বউ শান্তা আক্তারকে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে বর্ষাগাতী বালিকা দাখিল মাদরাসায় নিয়োগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে আমার কাছ থেকে ৭৪ শতাংশ জমি মাদরাসার নামে লিখে নেয় মো. নজরুল ইসলাম ও মো. মহিবুর রহমান। পরবর্তীতে কম্পিউটার ল্যাব আনার কথা বলে এবং চাকুরীর খরচ বাবদ আরও ১২ লাখ টাকা দাবী করেন নজরুল ইসলাম ও মহিবুর রহমান। পরে তাদের কথামত ২০২২ সালের ৭ জুলাই আমি তাদের হাতে ৩ লাখ ১২ হাজার টাকা ও একই বছরের ১৩ ডিসেম্বর ৬ লাখ টাকা দেই। দুই কিস্তিতে মোট ৯ লাখ ১২ হাজার টাকা আমি সভাপতি মহিবুর রহমানের হাতে তুলে দেই। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন চাকুরী দিতে পারেননি তারা।

তিনি আরও বলেন, আমি সহজ সরল মানুষ। আমাকে মাদরাসার সুপার ও সভাপতি ধর্মের মা বানিয়েছে। মা বানিয়ে বলে যে, মাদরাসার স্বীকৃতি আনতে হলে ৩৪ শতাংশ জমির প্রয়োজন। তাদের কথামত আমি রাজি হই। পরে জমি রেজিষ্ট্রি দেওয়ার পর জানতে পারি প্রতারণা করে তারা আমার কাছ থেকে ৩৪ শতাংশের জায়গায় ৭৪শতাংশ জমি লিখে নিয়েছে। এখন টাকা ও জমি ফেরত চাইলে মহিবুর রহমান ও নজরুল ইসলাম আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি এ ধরনের জঘন্য ঘটনার সঠিক বিচার এবং আমার দেওয়া জমি ও টাকা ফেরত চাই।

মাদরাসার সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মাদরাসায় দান কাওলা মূলে ৭৪ শতাংশ জমি লিখে দিয়ে এর বিনিময়ে ৪ লাখ টাকা নিয়েছে। এখন অপরের প্ররোচনায় তিনি চলছেন। এ বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে আমাদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বর্তমানে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

মাদরাসার সভাপতি মো. মহিবুর রহমান বলেন, আমাদের ওপরে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইহা একটি সাজানো নাটক। মাদরাসায় জমি লিখে দেওয়া বাবদ তিনি মাদরাসার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে কিশোরগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুন নাহার মাকছুদার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম সাইফুল আলম বলেন, আমি শুনেছি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্যারের বরাবরে ভুক্তভোগী নারী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com