সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় অটোবাইকের চাপায় ৬ বছরের শিশু নিহত ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত

‘পাহাড়ে সহিংসতা হলে সব সরকারের অস্বীকারের ধারা একই’

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
‘পাহাড়ে সহিংসতা হলে সব সরকারের অস্বীকারের ধারা একই’

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, পাহাড়ে সহিংসতা হলে সব সরকারের অস্বীকারের ধারা একই। কখনোই তদন্ত হয় না, কারণ এসব ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতারা জড়িত থাকে।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘সহিংসতার কালক্রম: রামু বৌদ্ধমন্দির হামলা থেকে ১৩ বছর এবং গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী বাংলাদেশের সহিংসতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

সরকারের সমালোচনা করে আনু মুহাম্মদ বলেন, রামুর ঘটনার সময় তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন এটি জামায়াত-বিএনপির একটি ষড়যন্ত্র, যেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের চেষ্টা ব্যাহত হয়। আজ যখন খাগড়াছড়ি জ্বলছে, বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলছেন এটি “মেড ইন ইন্ডিয়া”। এই অস্বীকারের ধারা একই— তারা কখনোই তদন্ত করে না, কারণ প্রায়শই এতে তাদের নিজেদের স্থানীয় নেতা জড়িত থাকে।

তিনি বলেন, সহিংসতা কখনো স্বতঃস্ফূর্ত নয়, বরং তা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে পরিকল্পিত হয়।

২০১২ সালে রামু হামলার উদাহরণ দিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, বাঙালি ও মুসলিমদের স্বার্থের নামে সংঘটিত সহিংসতা প্রকৃত অর্থে সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে উসকানি এবং ক্ষমতাসীনদের স্বার্থে পরিচালিত হয়।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের ঘটনায় অনেক মামলা হয়েছিল, কিন্তু এর মাত্র একটি অংশেই ন্যায়বিচার হয়েছে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরিবর্তে আমরা পিছিয়ে গেছি।

পার্বত্য অঞ্চলের ভূমির অধিকার বিষয়ে স্বচ্ছতা দাবি করে তিনি বলেন, যদি সরকার সত্যিই পাহাড়ে শান্তি চায়, তাহলে জমি কার কাছে লিজে দেয়া হয়েছে তার তালিকা প্রকাশ করুক।

তিনি আরও বলেন, সহিংসতা বন্ধ করতে রাজনৈতিক ইচ্ছা প্রয়োজন, প্রশাসনিক আদেশ নয়। স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা মুক্তিযোদ্ধারা এমন দেশে চাননি, যেখানে মানুষ তার পরিচয়ের কারণে ভয়ে থাকে।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ সুজিত চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com