শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু কিশোরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার তাড়াইলে দারুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি হোসেনপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নেপালের বন্যা: জলবায়ু পরিবর্তনের সীমান্তহীন হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ লাগানো লাশ উদ্ধার কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম-মুরগির দাম বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

তাড়াইলে ‘স্কুল ফিডিং’ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

রুহুল আমিন, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে
তাড়াইলে ‘স্কুল ফিডিং’ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং পুষ্টির মান নিশ্চিত করতে সরকারের ‘স্কুল ফিডিং’ বা মিডডে মিল প্রকল্পটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে অভিযোগ উঠেছে, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে।

গত ২৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি তাড়াইলে অনেক ক্ষেত্রে নামমাত্র বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, তাড়াইল উপজেলায় ৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী সপ্তাহে পাঁচ দিন শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবার দেওয়ার কথা। এর মধ্যে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম; সোমবার বনরুটি ও ইউএইচটি দুধ; এবং বুধবার ফর্টিফায়েড বিস্কুট ও মৌসুমি ফল দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

নির্ধারিত ওজন অনুযায়ী প্রতিটি বনরুটি ১২০ গ্রাম, ডিম ৬০ গ্রাম, দুধ ২০০ গ্রাম, বিস্কুট ৭৫ গ্রাম এবং ফল ১০০ গ্রাম হওয়ার কথা।

তবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পচা ডিম, আধাপাকা কলা এবং দুর্গন্ধযুক্ত পাউরুটি বিতরণ করা হচ্ছে। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো- কর্মসূচির বাস্তবায়ন সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা কর্মকর্তা এমনকি অনেক শিক্ষকও স্পষ্ট তথ্য জানেন না।

সরেজমিনে তাড়াইল সদর বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান এবং ভেরনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লুৎফুন্নাহার রোজিনা জানান, “২৯ মার্চ থেকে কর্মসূচি শুরু হলেও নিয়মিত খাবার দেওয়া হচ্ছে না। অনেক সময় কিছুই পাওয়া যায় না। জানতে চাইলে সরবরাহকারীরা নানা অজুহাত দেন। বিস্কুট আগে দেওয়া হতো না, তবে গত এক সপ্তাহ ধরে দেওয়া হচ্ছে।”

এ বিষয়ে ফিডিং কর্মসূচির তাড়াইল উপজেলার অডিটর মো. বুকারিয়া বলেন, “আমরা বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা সরবরাহ করছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ীই সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।”

তাড়াইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং World Food Programme (ডব্লিউএফপি) যৌথভাবে এ কর্মসূচির খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করছে। “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে,” বলেন তিনি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com