সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় অটোবাইকের চাপায় ৬ বছরের শিশু নিহত ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত

আলোকসজ্জায় নতুন রূপে কুড়েরপাড় কবরস্থান ‘মঞ্জিলে মুসাফির’

রুহুল আমিন, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে
আলোকসজ্জায় নতুন রূপে কুড়েরপাড় কবরস্থান ‘মঞ্জিলে মুসাফির’

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের কুড়েরপাড় কবরস্থান ‘মঞ্জিলে মুসাফির’ নান্দনিক আলোকসজ্জায় নতুন রূপ পেয়েছে। স্থানীয় যুব সমাজের উদ্যোগে এবং এলাকাবাসী ও প্রবাসীদের আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় কবরস্থানের চারপাশে রং-বেরঙের আলোকসজ্জা স্থাপন করা হয়েছে। সন্ধ্যা নামলেই আলোকিত কবরস্থানটি পথচারী, এলাকাবাসী ও কবর জিয়ারতে আসা মানুষের দৃষ্টি কাড়ছে।

প্রায় ৪০ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ কবরস্থানের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে ২০১৮ সালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন বেজপা’র মহাব্যবস্থাপক আলহাজ এম. ফজলুর রহমান ভূঁইয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ এলজিইডির তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফ আলী খান এবং রাউতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর শরিফ উদ্দিন জুয়েল।

সম্প্রতি স্থানীয় তরুণদের উদ্যোগে কবরস্থানের চারপাশে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা স্থাপন করা হয়। এ কাজে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি প্রবাসীরাও উদারভাবে আর্থিক সহযোগিতা করেন। ফলে কবরস্থানটি এখন আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সৌন্দর্যমণ্ডিত পরিবেশে পরিণত হয়েছে।

যুব সমাজের প্রতিনিধি ও তরুণ সমাজসেবক আবুল হাসেম জয় বলেন, “কবরস্থান আমাদের প্রিয়জনদের শেষ ঠিকানা। তাই এর সৌন্দর্য ও পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এলাকাবাসী ও প্রবাসীদের আন্তরিক সহযোগিতায় আমরা এই আলোকসজ্জার কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও কবরস্থানের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”

কবরস্থানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা মোস্তফা মিয়া বলেন, “স্থানীয় যুবকদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আলোকসজ্জার ফলে কবরস্থানের সৌন্দর্য যেমন বেড়েছে, তেমনি সন্ধ্যার পর কবর জিয়ারতে আসা মানুষের চলাচলও অনেক সহজ হয়েছে। এই মহৎ উদ্যোগে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”

কবর জিয়ারতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, পর্যাপ্ত আলোর কারণে এখন সন্ধ্যার পরও নির্বিঘ্নে কবর জিয়ারত করা যায়। তারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

স্থানীয়দের মতে, সামাজিক ও ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়নে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং প্রবাসীদের সহযোগিতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এমন উদ্যোগ দেশের অন্যান্য এলাকাকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com