শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য হওয়ায় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বিএনপি সরকারে শ্রদ্ধা ছিল সাহাবুদ্দিনের: হাফিজ উদ্দিন পাকুন্দিয়ায় বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ বাবা ছিলেন পুলিশের টহলদলে, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখলেন নিহত ছেলে তুহিন কিশোরগঞ্জে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৬ পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি, স্পিকারের জন্য অপেক্ষা! কিশোরগঞ্জে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি তাড়াইলে ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদের অফিসে তালা, থানায় লিখিত অভিযোগ

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

জাতীয় ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন বলে বুধবার বিকাল থেকে যে গুঞ্জন চলছিল, সেটিই বাস্তব রূপ পেল শুক্রবার বিকালে। বিকাল ৪টার পর হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতি গণমাধ্যমকে বলেন, এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।

পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করা হয়ে গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বলে দিছি, বুঝে নেন।

পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম জানান, ‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণে রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন।

পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি লিখেছেন, আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন মেয়াদের পৌনে দুই বছর বাকি থাকতেই দায়িত্ব থেকে ইস্তফা নিলেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে জানাতে বিকাল সোয়া ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এখন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন।

চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংককে যান হাফিজ উদ্দিন। সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই তার ফেরার জন্য ফিরতি টিকিট কাটা ছিল।

কিন্তু এর মধ্যেই বুধবার বিকালে প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এক ফেইসবুক পোস্ট ঘিরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন শুরু হয়।

রাষ্ট্রপতির দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা এবং তার ঘনিষ্ঠ একজন বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। তবে স্পিকার দেশে না থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সময় স্পিকারকে দেশে বা সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে, সংবিধানে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পিকারকে দায়িত্ব নিতে হয়।

সে কারণে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে স্পিকারকে শুক্রবার দেশে ফিরতে অনুরোধ করা হয় বলে কর্মকর্তাদের ভাষ্য।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তার ব্যক্তিগত সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দুপুরে দেশে ফিরলেও দাবি করেন, গত এক সপ্তাহ বিদেশে থাকায় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

রাষ্ট্রপ্রধানের গুঞ্জনের বিষয়ে তিনি এও বলেন, সাংবাদিকরা যেমন শুনেছেন, তিনিও তেমনই শুনেছেন। তার কয়েক ঘণ্টা পর মো. সাহাবুদ্দিন ইস্তফা দেওয়াই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব এখন হাফিজ উদ্দিন আহমেদেরই কাঁধে পড়েছে।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে দলটির মনোনীত ব্যক্তিরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে কয়েক দিন ধরে আলোচনা চলছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com