রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত রাজশাহী রেঞ্জে সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম নওগাঁ জেলা, শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তাড়াইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে গতি, আড়াই বছরে নিষ্পত্তি ৪,৮০৬ মামলা

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে গতি, আড়াই বছরে নিষ্পত্তি ৪,৮০৬ মামলা
Oplus_131072

কিশোরগঞ্জে স্থানীয় পর্যায়ে সহজ, দ্রুত ও স্বল্পব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের প্রসার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বাস্তবায়িত “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প (তৃতীয় পর্যায়)”-এর মাধ্যমে জেলার ১৩ উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়ন পরিষদে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জুলাই ২০২২ থেকে শুরু হওয়া এ প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে উপপরিচালক, স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আবেদনকারী ও প্রতিবাদী পক্ষের মনোনীত দুইজন করে সদস্যের সমন্বয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয়।

গ্রাম আদালতের বিধি অনুযায়ী প্রাক-বিচার ও শুনানির মাধ্যমে সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এ আদালত সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে। এখানে দেওয়ানি ও ফৌজদারি—উভয় ধরনের নির্ধারিত মামলার বিচার করা হয়। দেওয়ানি মামলার আবেদন ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার আবেদন ফি ১০ টাকা। এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত খরচ নেই।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি কার্যকর সরকারি সেবা। বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, হিজড়া জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন প্রান্তিক, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য এটি সহজে বিচার পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। জেন্ডার-সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালত নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।

এছাড়া নারীর বকেয়া ভরণপোষণ আদায়ের দাবিতেও গ্রাম আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যায়। গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত মামলাগুলো প্রয়োজন হলে উচ্চ আদালত থেকেও গ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, আইনি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হলে সাধারণ মানুষের হয়রানি কমবে এবং উচ্চ আদালতের মামলার জটও হ্রাস পাবে।

জেলা গ্রাম আদালত সূত্রে জানা গেছে, ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ৫,১০৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৪,৮০৬টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং ৪,৬২৬টি রায় বাস্তবায়ন হয়েছে। এসব পরিসংখ্যান স্থানীয় পর্যায়ে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা ও জনগণের আস্থা বৃদ্ধিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com