সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দেশে চালু ১৯ কোটি ১০ লাখ সিম, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ চান ট্রাম্প, নাকচ গভর্নরের অটোরিকশা চার্জে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাকুন্দিয়ার মিলনের মৃত্যু তাড়াইলের ১২ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় তাড়াইল হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  টানা তিন হার বাংলাদেশের, এবার বড় লজ্জা দিল ভারত হানাহানি এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘মৃত্যুর আগে ছেলেকে একবার দেখে যেতে চাই’

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাকুন্দিয়ার মিলনের মৃত্যু

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাকুন্দিয়ার মিলনের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ভাবিকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজহারুল ইসলাম মিলন (৫১) মারা গেছেন। তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারারক্ষীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অসুস্থ অবস্থায় কারারক্ষীরা ওই বন্দীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, নিহত আজহারুল ইসলাম মিলনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সায়েম উদ্দিনের ছেলে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৫ জুন সকালে পারিবারিক কলহের জেরে আজহারুল ইসলাম তার বড় ভাই বাবুলের স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাসলিমাকে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ওই দিন দুপুরে আজহারুল ইসলাম নিজেই পাকুন্দিয়া থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পরদিন নিহত তাসলিমার ভাই শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে আজহারুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাকুন্দিয়া থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক শেখ জিয়াউল রাব্বী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১০ জুন কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আজহারুল ইসলাম মিলনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

নিহত তাসলিমা আক্তার পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের ছয়ছির গ্রামের ফজর আলী ও সৈয়দ বানু দম্পতির মেয়ে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com