রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত রাজশাহী রেঞ্জে সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম নওগাঁ জেলা, শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তাড়াইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মারাত্মক যৌনরোগ গনোরিয়া

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৮৪৪ বার পড়া হয়েছে

মারাত্মক যৌনরোগ গনোরিয়া আমাদের দেশের অশিক্ষিত ও দরিদ্র সমাজে প্রমেহ নামে পরিচিত। এটি একটি জীবাণুবাহিত রোগ। বিশ্বজুড়ে এ রোগটির বিস্তৃতি যৌনরোগের মধ্য দিয়ে। রোগটির জীবাণু ডিম্বাকৃতি বা শিমের বিচির মতো। থাকে জোড়ায় জোড়ায়।

সুপ্তিকাল : রোগাক্রান্ত সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে দৈহিক মিলনের পর ৩ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এ রোগের প্রকাশ ঘটে। সাধারণত পুরুষের ক্ষেত্রে মূত্রপথের সামনের অংশে জীবাণু সংক্রমণ শুরু করে। উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে তা প্রস্টেট গ্রন্থি, এমনকি মূত্রথলি ও শুক্রাশয় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

উপসর্গ (পুরুষ) : পুরুষের যৌনাঙ্গ, বিশেষ করে প্রস্টেট গ্রন্থি, শুক্রনালি, এপিডাইডাইমিস আক্রমণ করে। আক্রমণের ২-১ দিন পর পর্যাপ্ত ঘন সাদা বা সামান্য হলদে রঙের পুঁজ পড়তে শুরু করে। প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালা অনুভূত হয়। পুরুষাঙ্গের মাথায় পুঁজ জাতীয় পদার্থ লেগে থাকতে দেখা যায়। এ রোগে পুরুষাঙ্গের গায়ে কোনো ঘা বা ক্ষত দেখা যায় না। হাত দিয়ে ধরলে হালকা ব্যথা অনুভূত হয়। কিছুদিন পর রোগের উপসর্গ কমে যায়। এর মানে রোগটি ভালো হওয়া নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি রূপ লাভ করে বলে ধরে নিতে হবে।

উপসর্গ (নারী) : আক্রান্ত হওয়ার পর যোনিপথের গ্রন্থি, বিশেষ করে জরায়ুমুখের গ্রন্থিতে জীবাণু আক্রমণ করে থাকে। পরে ডিম্বনালি আক্রমণ করে। যোনিপথের ঠিক সামনেই রয়েছে মূত্রপথ। সেখানেও আক্রমণ করে। ফলে যোনিপথ ও মূত্রপথ উভয়ই আক্রান্ত হয়। অল্প বা বেশি পরিমাণে পুঁজ বের হতে দেখা যায়। প্রস্রাবের সময় তীব্র ব্যথা, জ্বালাপোড়া করে, পুঁজ নিঃসরণ হতে দেখা যায়। আবার ডিম্বনালি দিয়ে জীবাণু দেহের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। ফলে সামান্য জ্বর, ম্যাজম্যাজ ভাব দেখা দিতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে নারীরা উপসর্গ ছাড়াই থাকতে পারে।জটিলতা (পুরুষের ক্ষেত্রে) : শুক্রনালি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। উপ-শুক্রাশয় (এপিডাইডাইমিস) নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে যৌনরসে বীর্যকোষ থাকে না। এ কারণে ব্যক্তিটি সন্তানের পিতা হতে পারেন না। রোগ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় যিনি তার সঙ্গে দৈহিক মেলামেশা করবেন, তিনিও এ রোগে আক্রান্ত হবেন। রোগটি দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ হতে পারে। ফলে প্রস্রাব আটকে বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

জটিলতা (নারীর ক্ষেত্রে) : দীর্ঘদিন আক্রান্ত থাকলে ডিম্বনালির ছিদ্রপথ বন্ধ হয়ে সন্তানধারণের ক্ষমতা হারাতে পারে। প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া, ব্যথা ছাড়াও মূত্রাশয়ের প্রদাহ হতে পারে। আক্রান্ত নারী সন্তান প্রসব করলে সন্তানের চোখ এ জীবাণুর মাধ্যমে আক্রান্ত হতে পারে। নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে হাঁটু বা গোড়ালিতে পুঁজ জমে গিঁরা ফুলে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে বাতব্যথার মতো উপসর্গ।

রোগ নির্ণয় : রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস শোনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে, তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পুঁজ বা পদার্থ এবং নারীর ক্ষেত্রে মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেট গ্রন্থি মাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে কিংবা সকালের প্রথম ফোঁটা প্রস্রাব পরীক্ষা করা যেতে পারে। জরায়ু নিঃসরিত বস্তুও পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়া কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করা যেতে পারে।

চিকিৎসা : উপরোক্ত লক্ষণ দেখা দেয়া মাত্রই চিকিৎসক নিকট যাওয়া জরুরি।

সতর্কতা : বিবাহ বহির্ভুত যৌন মিলন থেকে বিরত থাকা। অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা। রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির যৌন মিলন থেকে বিরত থাকা।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com