বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ কোচিং বন্ধ, স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ; কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু, সভাপতিত্ব করছেন খলিলুর রহমান সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, তাই অনুসন্ধান: দুদক সচিব হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে সমবায় বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নওগাঁর পত্নীতলায় বাণিজ্য মেলায় লটারির ড্র না হওয়ায় ভাংচুর-লুটপাট কওমি মাদরাসায় মানসম্মত পাঠদান, তাড়াইলে শিক্ষকদের নিয়ে কর্মশালা কনসার্টে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার ডেঙ্গুতে এ বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড

নিকলীতে নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের রমরমা ব্যবসা

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ৯ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৯৯ বার পড়া হয়েছে

দিলীপ কুমার সাহা:
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা প্রকাশ্যে চলছে নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের রমরমা ব্যবসা। শিক্ষকদের নির্দেশে তাদের পছন্দের প্রকাশনা সংস্থার গাইড বই পড়তে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা-ইংরেজি গ্রামার বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এক শ্রেণির শিক্ষকরা সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা সংস্থা থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে এসব নিষিদ্ধ গাইড ও গ্রামার বই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানান, উপজেলায় ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০টি মাদ্রাসা ও ৫টি ইবতেদিয়া মাদ্রাসায় এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় সূত্র জানান, উপজেলায় ৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় , ১৯টি কিন্ডারগার্ডেন স্কুল ও ৩৩টি এনজিও চালিত ভাসমান বিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কিছু অসাধু শিক্ষক নিষিদ্ধ গাইড ও গ্রামার বইয়ের অবৈধ বাণিজ্যের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়েছে। উপজেলার প্রাথমিক, মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সরকারি বিধি-নিষেধের পরেও কমিশন বাণিজ্যের কারণে এসব নিষিদ্ধ বইয়ের বেচা-কেনা চলছে।
নিকলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুজ্জামান হাবিব বলেন, গাইড বই না পড়ানোর জন্য প্রত্যেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসলাম উদ্দিন বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছি।
নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুছাম্মৎ শাহিনা আক্তার বলেন, নিষিদ্ধ গাইড বই শিক্ষকদের না পড়ানোর জন্য প্রতিটি স্কুলের শিক্ষকদের ডেকে নির্দেশ দেওয়া হবে। নির্দেশ অমান্য করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com