রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দলীয় ফোরামে ঠিক হবে নতুন রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুল ছাত্রাবাস থেকে কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার নওগাঁর বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ হোসেনপুরে কৃষিজমিতে আগাছা দমনে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য পাকুন্দিয়ায় ওয়ার্কশপে দুর্ধর্ষ চুরি, ২ মাসেও উদ্ধার হয়নি মালামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য হওয়ায় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বিএনপি সরকারে শ্রদ্ধা ছিল সাহাবুদ্দিনের: হাফিজ উদ্দিন পাকুন্দিয়ায় বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

দুই কলেজ ছাত্রীকে হত্যা করায় পুলিশ সদস্যসহ দুই জনের মৃত্যুদণ্ড, ছয় জনের চার বছর করে কারাদণ্ড

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জে দুই কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পুলিশ সদস্যসহ দুই জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বিকেল তিনটার দিকে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক কিরণ শংকর হালদার এ রায় দেন। এ ছাড়া একই সঙ্গে মামলার অন্য ছয় আসামিকে চার বছর করে সাজার রায় দেন বিচারক। এ সময় মামলার আট আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো পুলিশসদস্য নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলার হাটবারেঙ্গা গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে মনিরুজ্জামান হলুদ ও ঝালকাটি জেলার নলছিটি উপজেলার কাউখিড়া আমিরাবাদ গ্রামের ফজলে আলী হাওলাদারের ছেলে শামীম হাওলাদার জহির। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি দু’জনই পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৬ জুলাই কিশোরগঞ্জে কর্মরত থাকাকালীন পুলিশ সদস্য মনিরুজ্জামন হলুদ ও তার বন্ধু শামীম শহরের সাবেক শিক্ষক আবু বাক্কারের মেয়ে কলেজছাত্রী আফরোজা আক্তার সুমি ও আইনজীবী নূর উন নবীর মেয়ে আফরোজা আক্তার ঊর্মিকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যায়। পরে রাজধানীর কাওরান বাজারের হোটেল ওয়েস্টার্ন গার্ডেন নিয়ে তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর না দিয়ে নিহতদের লাশ তেজগাও ও এফডিসি এলাকায় ফেলে দেয়। পরে পুলিশ অজ্ঞাতনামা হিসেবে নিহত দুই কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার দুই মাস চার দিন পর নিহত সুমির বাবা আবু বাক্কার বাদী অজ্ঞাত আসামিদের নামে কিশোরগঞ্জ থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত করে আসামিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করে। প্রধান দুই আসামিসহ তিন জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষ জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন মোট আটজনের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মূল আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হওয়ায় মামলার বাদী এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com