রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত রাজশাহী রেঞ্জে সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম নওগাঁ জেলা, শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তাড়াইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঘূর্ণিঝড় ফণী: চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯
  • ৭৯৮ বার পড়া হয়েছে

শক্তিশালী হয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। বেড়েছে গতি। অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশে আঘাত হানবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ৬ নম্বর বিপদসংকেত জারির পর চট্টগ্রাম সুমদ্রবন্দরে সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙ্গরের জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। কর্ণফুলী থেকে কোনও লাইটারেজ জাহাজও বঙ্গোপসাগরে বহির্নোঙ্গরে যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রচারিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়।

একই সঙ্গে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, আবহাওয়া অফিস থেকে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হলেই বন্দরের অপারেশনাল কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখা হয়েছে। জেটিতে থাকা জাহাজগুলোকে বহির্নোঙ্গরে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতিকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে বন্দরে তিনটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষে খোলা হয়েছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দর ও বহির্নোঙ্গরে মিলিয়ে বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে মোট জাহাজ ছিল ১৬৮টি। এর মধ্যে পণ্যবোঝাই জাহাজ ছিল ৮০টি। আবার এর মধ্যে ১৬টি জাহাজ জেটিতে পণ্য খালাসের জন্য নোঙ্গর করা ছিল। বাকি ৬৪টি জাহাজ ছিল বর্হিনোঙ্গরে। ৬ নম্বর বিপদসংকেত জারির পর জেটি থেকে ১৬টি জাহাজকে সরানো হচ্ছে।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়কে সামনে রেখে জরুরি সভা করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বন্দরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, বিভাগীয় প্রধান, টার্মিনাল অপারেটরের প্রতিনিধি এবং স্টেক হোল্ডারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে বলা হয়, ফণী বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯শ ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আগামীকাল শুক্রবার সকাল নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ‘ফণী’-এর অগ্রবর্তী অংশে প্রভাব শুরু হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com