মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দেশে চালু ১৯ কোটি ১০ লাখ সিম, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ চান ট্রাম্প, নাকচ গভর্নরের অটোরিকশা চার্জে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাকুন্দিয়ার মিলনের মৃত্যু তাড়াইলের ১২ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় তাড়াইল হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  টানা তিন হার বাংলাদেশের, এবার বড় লজ্জা দিল ভারত হানাহানি এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘মৃত্যুর আগে ছেলেকে একবার দেখে যেতে চাই’

জানা গেলো খুনী নয়ন-রিফাত ঢাকাতে যাদের আশ্রয়ে ছিল

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯
  • ৯১১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :

রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কোপানোর পর ঢাকায় পালিয়ে এসেছিল প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ড এবং রিফাত ফরাজী। তারা উঠেছিলেন আফতাবনগরে তাদের এক বন্ধুর কাছে। ২৭ জুন মধ্যরাতে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর নয়নের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এর ৩ দিন পর ২ জুলাই নয়নের লাশ পাওয়া যায় বরগুনা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নের পূর্ব বুড়িরচর গ্রামে।

পুলিশ জানায়, নয়নকে গ্রেপ্তার করতে ওই এলাকায় গেলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

জানা যায়, রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার পর ২৭ জুন রাতে রাজধানী ঢাকার আফতাবনগরে সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আফতাবনগরের টি ব্লকের আলিফ স্টিল নামক একটি শাটার ও গ্রিল তৈরির ওয়ার্কশপে কাজ করতেন সাব্বিরের বন্ধু সৈকত ও তার ভাই শান্ত। তাদের বাড়ি বরগুনার বেতাগীর ৯ নম্বর কাজিরাবাদ ইউনিয়নে। ওয়ার্কশপের মালিক শফিক তাদের ভগ্নিপতি। তার বাড়িও বরগুনায়। রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার পরদিন রাতে এই ওয়ার্কশপে এসে উঠেছিলেন নয়ন ও রিফাত ফরাজী।

গত শনিবার ওই ওয়ার্কশপে গিয়ে সৈকত ও শান্তকে পাওয়া যায়নি। ওয়ার্কশপের কর্মচারীদেরকে নয়ন ও রিফাতের ছবি দেখালে তারা জানান, ২৭ জুন রাত ১০টার দিকে এই দুজন ওয়ার্কশপে আসেন। তারা রাতের খাবার খান। রাত সাড়ে ১২টার দিকে নয়ন ও রিফাতকে নিয়ে সৈকত বেরিয়ে যান।

আবুল হোসেন নামে এক কর্মচারী বলেন, তিনজন বেরিয়ে যাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর সৈকত দৌড়ে আসেন। তার শরীর ভেজা ছিল। সৈকত তাদের জানান, পুলিশ তাদের ধাওয়া করেছিল। এরপর সৈকত কাপড়চোপড় বদলান এবং তার ভাই শান্তকে নিয়ে ওয়ার্কশপ থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে এই দুই ভাইয়ের আর কোনো খবর তারা জানেন না।

শান্ত ও সৈকতের বাবা খবির উদ্দিন হাওলাদার বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com