রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত রাজশাহী রেঞ্জে সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম নওগাঁ জেলা, শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তাড়াইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাষ্ট্রপতির ক্ষমার ১০ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি লাভ!

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯
  • ১৬৮৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :

রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমার ১০ বছর পর জামালপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সরিষাবাড়ি উপজেলার পাখিমারা গ্রামের বৃদ্ধ আজমত আলী মাস্টার। হাইকোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে জামালপুর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি দেয়।

যাবজ্জীবন সাজার রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে তাঁর পক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির করা আবেদনের নিষ্পত্তি করে গত ২৭ জুন আপিল বিভাগ একটি রায় দেন। ওই আদেশের ভিত্তিতে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি দিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আবু তাহের নির্দেশনা পাঠান। ওই নির্দেশনাটি বিশেষ ডাকযোগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জামালপুরের জেল সুপার মো. মকলেছুর রহমানের কাছে পৌঁছে। নির্দেশনা পাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে আজমত আলীকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

জানা গেছে, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দি এলাকার পাখিমারা গ্রামের ইজ্জত উল্ল্যা সর্দারের ছেলে আজমত আলী। তার বয়স এখন ৭৪ বছর। টাঙ্গাইলের গোপালপুর ঘোড়ামারা এলাকার ভেঙ্গুলা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন তিনি। ১৯৮৭ সালের ১ এপ্রিল জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকার কলিম উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিম নিহত হন। এ ঘটনায় আজমত আলীকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। এ মামলায় ১৯৮৯ সালের ৮ মার্চ জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন আজমত আলী। একই সময় তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে সাধারণ ক্ষমার জন্যও আবেদন করেন। আপিল বহাল থাকার সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ১৯৯৬ সালের ২১ আগস্ট জামালপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সরিষাবাড়ি গ্রামের বাড়ি চলে যান।

অপরদিকে ২০০৫ সালের ২ মার্চ হাইকোর্টের রায়েও তিনি খালাস পান। ১৩ বছর বাড়িতে থাকার পর কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই ২০০৯ সালের ১৯ অক্টোবর আজমত আলীকে তার বাড়ি থেকে পুলিশ ফের গ্রেফতার করে। এর পর থেকে তার দিন কাটতে থাকে জামালপুর জেলা কারাগারের সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে।

জেল সুপার মো. মকলেছুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে এই কারাগারে যোগদানের পর আজমত আলীর বিষয়টি নজরে আসে। আমি কারাগারেই আজমত আলীর সঙ্গে পুরো বিষয়টি আলোচনা করি। পরে আমি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাগজপত্র নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেই।

আজমত আলী মাস্টারের মেয়ে বিউটি আক্তার বলেন, রাষ্ট্রপতির ক্ষমার পরও আমার বাবাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে ১০ বছর জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে। আমার বাবার জীবনের মূল্যবান সময়ের বেশিরভাগই জেলে কাটতে হলো। জীবনে কিছুই পেলেন না তিনি।

যাদের ভুলে তার শিক্ষক বাবাকে দীর্ঘ সময় জেলের ঘানি টানতে হলো তিনি তাদের শাস্তির দাবি জানান। মুক্তি পেয়ে আজমত আলী মাস্টার বলেন, মুক্তি পাওয়াটা আনন্দের বিষয় হলেও আমার জন্য খুবই দুঃখের। আমার জীবনটা কারাগারেই কেটে গেছে। লেখাপড়া করে আমি কি করতে পারলাম। জীবনতো কারাগারেই শেষ। আমি এর বিচার আপনাদের কাছে দিলাম।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com