সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় অটোবাইকের চাপায় ৬ বছরের শিশু নিহত ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত

ঈদুল আজহার আগে তেতে উঠেছে মসলার বাজার

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৯
  • ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :

ঈদুল আজহা সামনে রেখে প্রতিবছরই মাংস রান্নার অন্যতম উপকরণ মসলার বাজার থাকে ঊর্ধ্বমুখী। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বলছে, মসলার পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ার জন্য দায়ী করছেন পাইকারদের। আর ভোক্তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকাই হচ্ছে এ সমস্যার মূল। খবর : ইউএনবি

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, দারুচিনি, এলাচ ও তেজপাতাসহ বিভিন্ন মসলার দাম গত মাসের তুলনায় ৫ থেকে ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত মাসের তুলনায় দারুচিনির দাম শুক্রবার বেড়েছে কেজিতে ১৬০ টাকা। এলাচ আরও ব্যয়বহুল এবং ঢাকার কিছু বাজারে কেজি প্রতি দাম বেড়েছে ১১ শ টাকা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক চন্ডী দাস কুন্ডু বলেন, দেশে যে মসলা হয় তা চাহিদার তুলানায় অপর্যাপ্ত। আর বেশিরভাগ মসলা যা দেশে হয় না তা আমদানি করতে হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৪ লাখ ৬৮ হাজার ১৪০ মেট্রিক টন মসলা উৎপন্ন হয়েছে। সেই সাথে আমদানি করা হয়েছে ১৩ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ মেট্রিক টন।

সংস্থার পরিচালক মো. আজহার আলীর দাবি, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। ইউএনবিকে তিনি বলেন, ‘মসলার পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এ বছরের চাহিদা পূরণে আমরা বিপুল পরিমাণে আমদানি করেছি।’

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান বলেন, ঈদের সময় এ দাম বাড়ানো হলো ব্যবসায়ীদের পকেট ভারী করার এক কৌশল। তবে কিছু ব্যবসায়ী এ কথার সাথে একমত নন।

‘পাইকাররা বেশি দামে মসলা বিক্রি করছেন। তাই আমাদেরও দাম বাড়াতে হচ্ছে,’ বলেন কাওরান বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আবদুল হালিম। তিনি জানান, ঈদুল ফিতরের সময় সব মসলার দাম বেশি ছিল এবং তা আর কমেনি।

রাজধানীর বংশাল, নয়াবাজার, গুলিস্তান ও শান্তিনগরের বিভিন্ন বাজারে বেশি দামে মসলা বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বংশালের বাসিন্দা হালিমা খাতুন বলেন, ঈদের আগে মসলার দাম বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়, তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা চরম। ‘আমি এলাচ কিনেছি সাড়ে তিন হাজার টাকা কেজিতে!’

‘যথাযথ নজরদারি না থাকায় ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে দাম বাড়িয়ে দেয়। ভোক্তা হিসেবে আমরা কী করতে পারি? আমাদের বেশি দামে কেনা ছাড়া কোনো উপায় নেই,’ যোগ করেন তিনি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com