মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সাত বছরে ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে সড়কে হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, আহত সারজিস-নাসীরুদ্দীন জাপানে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প ৩৪ টুথপেস্টের মধ্যে ২৬ টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ হাই কোর্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক, দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্সটাউনে একটি দোকানে আগুনে পুড়ে ছয় বাংলাদেশির মৃত্যু ইরাক থেকে আসা ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি আরবের ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো সরকার পুলিশি অভিযান বন্ধ না হলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ পার্টির জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য হয়নি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নিকলীতে প্রচার প্রচারণার অভাবে মুঠোফোনে হাসপাতল থেকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় বঞ্চিত হচ্ছে জনগণ

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯
  • ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে

দিলীপ কুমার সাহা :

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার মুঠোফোনে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু করে ২০০৯ সালের মে মাসে। এই ছয় বছরে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মুঠোফোনে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা শূন্য।অথ্যাৎ কেউ এ সেবা নেয়নি।

মুঠোফোনে স্বাস্থ্যসেবা চালুর পর থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত মুঠোফোনে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছে এমন কোনো তথ্য হাসপাতালে লিপিবদ্ধ নেই। প্রচার প্রচারণার অভাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এখনও এ সম্পর্কে এলাকার মানুষ কিছুই জানে না।

সরকারি নিয়ম অনুসারে হাসপাতালে উপস্থিত না হয়েও সাধারণ মানুষ বা রোগীরা সরকারি নিদির্ষ্ট মুঠোফোন নম্বরে কল করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবে। এ জন্য মুঠোফোনের নম্বর জনস্বার্থে হাসপাতাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রদর্শন এবং প্রচারণার জন্য সরকারিভাবে নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া নিয়ম অনুযায়ী কর্মরত চিকিৎসক ২৪ ঘন্টা মুঠোফোনে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবাসংক্রান্ত পরামর্শ দেবেন। প্রতিদিন কতজন রোগীকে পরামর্শ দেওয়া হলো রোগীরা কী ধরনের পরামর্শ চেয়েছে, সেসব তথ্য হাসপাতালের একটি রেজিষ্টারে লিপিবব্ধ করে রাখার নিয়ম রয়েছে।
অথচ নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গত নয় বছরে কতজন রোগী মুঠোফোনে পরামর্শ নিয়েছে এমন কোনো তথ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট নেই। অভিযোগ রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মুঠোফোনের নম্বরে ওই জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত কোনো প্রচার-প্রচারণা চালায়নি।

বুধবার সরজমিনে এলাকার বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারের ওই জরুরি সেবার বিষয়টি সম্পকে কেউ অবহিত নয়।নিকলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বানিয়াহাটি গ্রামের শুক্কুর মাহমুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার কাছেই আজ শুনলাম মোবাইলফোনে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যায়। এর আগে কারো কাছে আমি শুনিনি। আমার মনে হয় বিষয়টি এখনো কেই জানে না। সিংপুর গ্রামের বিল্লাল মিয়া বলেন, আমরা হাওরে থাকি আমরা কী করে জানবো মোবাইলের স্বাস্থ্য সেবা নেওয়া যায়।

দামপাড়া কারার মাহতাব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন , আমি নিজেই জানিনা। ছাত্ররা কী করে জানবে মুঠোফোনে স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া যায়।নিকলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কারার শাহরিয়া আহমেদ তুলিপ বলেন , আমি একদিন একাধিকবার হাসপাতালের ওই নম্বরে কল দিয়েছিলাম। কিন্ত কেউ রিসিব করেনি। এরপর থেকে আর কোনো দিন কল দিইনি। জারুইতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক মিয়া বলেন , হাসপাতালের ওই নম্বর প্রায় সময় বন্ধ পাওয়া যায়। তাদের কাজ ছাড়া মনে হয় এটি ব্যবহার করেনা।

বিষয়টি নিজে পরীক্ষা করার জন্য এ প্রতিনিধি আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় নিকলী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবার জন্য নির্ধারিত মুঠোফোন নম্বর ০১৭৩০৩২৪৫২০ নম্বরে একাধিকবার কল করে বন্ধ পাওয়া যায়।

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক আস আদ দ্বীন মাহমুদের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে গতকাল কল করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি ওই মুঠোফোনটি পুরান হয়ে গেছে সে কারণে মনে হয় এ রকমর হয়ে থাকতে পারে। তা ছাড়া মানুষ সেবার নেওয়ার জন্য ফোনও করে না। মুঠোফোনে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছে কী না বা হাসপাতালে লিপিবব্ধ রয়েছে কী না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানা মতে এমন কোনো তথ্য হাসপাতালে নেই। কেউ যদি জরুরি স্বাস্থ্য সেবার পরামর্শ না চায়, তাহলে আমরা কিভাবে দেব।

নিকলী উপজেলার সাধারণ মানুষের সে সম্পকে সচেতননতা অভাব রয়েছে। এলাকায় প্রচার-প্রচারণার কারণে এমনটি হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাসপাতালের সাইনবোডে ওই নম্বর দেওয়া আছে। কিন্ত নম্বর নাই বললে, তিনি বলেন, বিষয়টি আমি দেখবো যদি নম্বর না থাকে তবে নম্বর দেওয়া হবে। এলাকায় প্রচারের বিষয়টির দায়িত্ব তো শুধু হাসপাতালের একার নয়, উপজেলা প্রশাসন ও প্রতিটি এলাকার জনপ্রতিরিধিদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com