দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও আদর্শ শিক্ষার্থীদের জানানোর জন্যই এ উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
এই পরিপ্রেক্ষিতে আজ (১লা ফেব্রুয়ারী) সকাল ১২ ঘটিকায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল গণি ঢালী লিমনের নির্দেশনায় ছাত্রলীগের একটি দল অধ্যক্ষের কাছে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার’ স্থাপনের দাবি নিয়ে যায়। পরে অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে তারা কলেজের উপাধ্যক্ষের সাথে এ বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এছাড়া জেলা ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের দাবী, গুরুদয়াল সরকারী কলেজে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল স্থাপনের বিষয়টির অগ্রগতি সম্পর্কেও জানতে চান তারা।
উপাধ্যক্ষ জানান, ইতিপূর্বে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল স্থাপনের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জেলা ছাত্রলীগ আমাদের অবহিত করলে, আমরা ম্যূরাল স্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় কে একটি চিঠি দেই। খুশির খবর হচ্ছে মন্ত্রণালয় উক্ত চিঠির প্রেক্ষিতে আমাদেরকে ম্যূরাল স্থাপনের অনুমতি প্রদান করে ফিরতি একটি চিঠি পাঠিয়েছে। আমরা অতি শীঘ্রই কলেজে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল স্থাপন করবো।
এছাড়া তিনি ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার’ স্থাপনের দাবির বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার’ স্থাপন করে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরাও জরুরী। আমরা এ বিষয়টিও দেখছি।
জেলা ছাত্রলীগের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক সাইফ জামান রাফি জানান, “কিশোরগঞ্জের সাধারণ শিক্ষার্থী ও জেলা ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল স্থাপন করতে সম্মত হয়েছে। মুজিব বর্ষ হিসেবে এটি কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রথম উপহার। আর দ্বিতীয় উপহার হিসেবে কলেজে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার’ পাবো বলে আমরা আশাবাদী।