রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট থাকলে বিরোধীদলের লং মার্চে ১ লাখ লিটার তেল কোথায় পাবে, প্রশ্ন প্রতিমন্ত্রীর দীঘিনালায় ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের প্রতিবাদ ট্রাম্পের কড়াকড়ি ও তহবিল ছাঁটাইয়ের সুযোগ নিচ্ছে কানাডা ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড ‘আত্মগোপনে’ থাকা চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার চাকরি হারাতে পারে দেশের ছয় লাখ মানুষ, দারিদ্র্য পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কায় বিশ্বব্যাংক সিটি ব্যাংকের ‘সাঁইজি’ বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্ক গরিব নারীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নওগাঁয় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন মৃত্যুর আগেই নিজের ‘চল্লিশা’, ৫ হাজার মানুষের ভোজ করালেন হোসেনপুরের রফিকুল নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮

নিকলীতে এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচ জন ছাত্রী অংশ নেয়নি; কারণ বাল্য বিবাহ

দিলীপ কুমার সাহা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৭১০ বার পড়া হয়েছে

গতকাল (৩ ফেব্রুয়ারি) সোমবার থেকে অনুষ্ঠিত এস এসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত হয় ১১২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী। কিন্ত দুই বছরের ব্যবধানে পাঁচ ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে গেছে। এই ছাত্রীরা ঝরে পড়ার একমাত্র কারণ বাল্যবিবাহ বলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষকগণ জানিয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের এস এসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য উপজেলার ১০ টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১১২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী নবম শ্রেণীতে ওঠার পর নাম নিবন্ধন করে। দুই বছর পর ওই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে এস এসসি পরীক্ষায় ফরম পুরণ করে ১১২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী। এর ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মধ্যে পাঁচ জন ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়েছে।

উপজেলা নিকলী শহীদ স্বরণিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী, করগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ও মজলিশপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন বলেন, বাল্য বিয়ের কারণে এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচ জন ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে গেছে।

ছাত্রীটির অভিভাবকদের সাথে কথা বললে জানা যায়, বাল্য বিবাহ কী এটা বুঝি না, মেয়ে বড় হয়েছে বিয়ে দিয়েছি এতে দুষের কী আছে। দিনকাল ভালো না তাই যতো তাড়াতাড়ি মেয়েকে বিয়ে দেওয়া যায় সেটাই ভালো। মেয়ে ঘরে বড় হলে মা-বাবার চোখের ঘুম হারাম হয়ে যায়। বাবা-মা হিসেবে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া ফরজ কাজ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জমান হাবীব বলেন, এ ঝরে পড়ার ছাত্রীদের অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামছুদ্দিন মুন্না বলেন, বাল্যবিবাহের কারণে মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রী ঝরে পড়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসনের লোকজন বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়ে আসার পরও অভিভাবকরা তাদের মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেন। এ মাস থেকেই উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা গুলোতে সপ্তাহে একদিন করে গিয়ে শিক্ষক , অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সভা করে তাদের সচেতনামূলক পরার্মশ দেওয়া হবে। নিকলী উপজেলাকে বাল্যবিবাহের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com