বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৭ মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দুই দফা আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, সাড়া পাইনি: জয়সওয়াল একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের ইন্তেকাল গণতান্ত্রিক পরিবেশকে টিকিয়ে রাখা সরকারি ও বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি কিশোরগঞ্জে হিজড়া জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গ্রাম আদালত বিষয়ক আলোচনা সভা সৌদি আরবের তিন শহরে জরুরি সতর্কতা জারি, নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি: ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থাপত্য ও গৌরবের এক অধ্যায় হোসেনপুর নতুন বাজারে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ইউএনওর অভিযান

‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস’

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০
  • ৪৪২ বার পড়া হয়েছে

তিনি তার দরাজ কন্ঠে গেয়েছিলেন ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস’। গেয়েছিলেন ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, রইব না আর বেশি দিন তোদের মাজারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো কি মাটি এ চোখ দুটি মাটি খেও না’। এ গানগুলো শুনে চোখে পানি আসেনি এমন মানুষ নেই।

 

যিনি গানগুলো গেয়েছেন সেই কিংবদন্তী গায়ক এ্যান্ড্রূ কিশোরই শোকের সাগরে ভাসালেন সবাইকে। বাংলা প্লেব্যাক গানের একটি ইতিহাসের যবনিকা টেনে মৃত্যুকে বরণ করে নিলেন তিনি।

‘প্লেব্যাক সম্রাট’ খ্যাত গায়ক এ্যান্ড্রূ কিশোর দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন। দেশের বাইরে চিকিৎসাও নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

 

শিল্পী এ্যান্ড্রূ কিশোরের জন্ম ৪ নভেম্বর, ১৯৫৫ সালে রাজশাহীতে। সেখানেই কেটেছে তার শৈশব ও কৈশোর। এন্ড্রু কিশোর প্রাথমিকভাবে সংগীতের পাঠ শুরু করেন রাজশাহীর আবদুল আজিজ বাচ্চুর কাছে। একসময় গানের নেশায় রাজধানীতে ছুটে আসেন। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, আধুনিক গান, লোকগান ও দেশাত্মবোধক গানে রেডিওর তালিকাভুক্ত শিল্পী হন।

১৯৭৭ সালে আলম খানের সুরে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রে ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তাঁর কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে এ্যন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয়। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী চলচ্চিত্রের ‘ধুম ধাড়াক্কা’। এন্ড্রু কিশোর বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বাধিক ১৫ হাজার গান গাওয়া শিল্পী। চলচ্চিত্রে তার চেয়ে বেশি জনপ্রিয় গান আর কারও নেই।

তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে- ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যে খানে’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘পড়ে না চোখের পলক’, ‘পদ্মপাতার পানি’, ‘ওগো বিদেশিনী’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘আমি চিরকাল প্রেমের কাঙাল’ প্রভৃতি।

 

বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদান রাখার জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com