কুমিল্লা নগরীর হযরত পাড়ায় হৃদয় (১৬) নামের এক কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়। নিহত হৃদয়ের বাবা সোহাগ মিয়া(৪৫) প্রায়ই হৃদয়কে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন বলে স্থানীয় প্রতিবেশীরা সাংবাদিকদের জানান।
হৃদয়(১৬) বাবা সোহাগ মিয়ার পিক আপ ভ্যানের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন। হৃদয় তাহার আয়ের অংশ নিয়ে বাবা সোহাগ মিয়ার সাথে প্রায়ই ঝগড়া করতো। প্রায়ই হৃদয়কে টাকা দেওয়ার জন্য তাহার বাবা সোহাগ মিয়া শারীরিক নির্যাতনও করতো। বাবার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে রবিবার দিবাগত রাতে হৃদয় ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁশ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
রবিবার সকালে হৃদয়ের বাবা সোহাগ মিয়া (৪৫) ও বোন জোহরা হৃদয়কে গলায় ফাঁশ দেওয়া অবস্থা দেখেতে পায়। পরবর্তীতে হৃদয়ের বাবা সোহাগ মিয়া কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জাকির হোসেন ও তাহার সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে। নিহত হৃদয়ের আত্মহত্যার ঘটনায় বাবা সোহাগ মিয়া বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আনোয়ারুল জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কারণে আত্মহত্যা করেছে কিশোর হৃদয়। রবিবার দুপুরে হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।