রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত রাজশাহী রেঞ্জে সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম নওগাঁ জেলা, শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তাড়াইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিকলীতে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীর সংখ্যা বাড়ছে

দিলীপ কুমার সাহা, নিকলি, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলাতে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীর সংখ্যা বাড়ছে। স্বামীর মৃত্যু,দ্যম্পত্য কলহসহ নানা কারণে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে।

 

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানতে চাইলে নিকলী সরকারি মুক্তিযোদ্ধা আর্দশ কলেজের অধ্যক্ষ কারার মামুদা পারিভিন বলেন, দারিদ্র, পারিবারিক কলহ এবং দ্যাম্পত্য জীবনের বনিবনার অভাবে আজকাল অনেক নারীর বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে। এ কারণে স্বামী পরিত্যক্ত নারীর সংখ্যা বাড়েই চলছে। এটা উদ্বেগের বিষয়। এটা বন্ধ করতে হলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সহনশীলতা ও সচেতনতা প্রয়োজন।

 

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ২০১৪ সালে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারী ছিলেন ১হাজার ৩৫৭জন। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৭৭ জনে। ২০২০ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৬৩ জন। এ সময়ে উপজেলায় প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১১৮ জন নারী বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত হন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের সিংপুর এলাকার এক নারী বলেন, দাম্পত্য কলহের কারনে কয়েক বছর আগে স্বামী তাকে তালাক দেন। তিন সন্তানের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আর বিয়ে করিনি। সম্পদ বা টাকা পয়সাও নেই তেমন।

 

সন্তানদের নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। ভাতার জন্য কযেকবার ইউনিয়ন পরি ষদের চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে কোনে কাজ হয়নি । লজ্জায় চেয়ারম্যানের এখানে না গিয়ে গত বছর ডিসেম্বর মাসে সামজ সেবা কার্যালয়ে গিয়ে বলার পর ওই অফিসের কর্মকর্তা একটি বিধবা ভাতা কার্ড করে দেন। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আসিফ ইমতিয়াজ মনির বলেন, প্রতি বছর যে হারে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীর সংখ্যা বাড়ছে, তা উদ্বেগজনক। তার কার্যালয় থেকে তালিকাভুক্ত গরীব বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের প্রত্যেক মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এ তালিকার বাইরেও অনেক গরীব নারী আছেন যারা ভাতা পাওয়ার যোগ্য।

 

কিন্ত অর্থ বরাদ্দের অভাবে তাদের ভাতা দেওয়া সম ্ভব হচ্ছে না। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আসিফ ইমতিয়াজ মনির বলেন , বরাদ্দ পাওয়া গেলে পর্যায় ক্রমে সবাইকে ভাতা দেওয়া হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com