রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট থাকলে বিরোধীদলের লং মার্চে ১ লাখ লিটার তেল কোথায় পাবে, প্রশ্ন প্রতিমন্ত্রীর দীঘিনালায় ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের প্রতিবাদ ট্রাম্পের কড়াকড়ি ও তহবিল ছাঁটাইয়ের সুযোগ নিচ্ছে কানাডা ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড ‘আত্মগোপনে’ থাকা চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার চাকরি হারাতে পারে দেশের ছয় লাখ মানুষ, দারিদ্র্য পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কায় বিশ্বব্যাংক সিটি ব্যাংকের ‘সাঁইজি’ বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্ক গরিব নারীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নওগাঁয় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন মৃত্যুর আগেই নিজের ‘চল্লিশা’, ৫ হাজার মানুষের ভোজ করালেন হোসেনপুরের রফিকুল নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮

নিকলীতে স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৩ বার আলো জ্বলেছে!

দিলীপ কুমার সাহা, নিকলি, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
নিকলীতে স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৩ বার আলো জ্বলেছে!

স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৩ বার আলো জ্বলেছে আলো। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামছুদ্দিন মুন্নার উদ্যোগে ২৫শে মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সর্ববৃহৎ বধ্যভূমি কেন্দ্রীয় শ্মশান ঘাটে তৃতীয় বারের মতো মোমবাতি প্রজ্বালনের মধ্যে স্মরণ করা হয়েছে ৩৪ শহীদকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামছুদ্দিন মুন্না, সহকারি কমিশনার (ভ’মি) আফসিয়া সিরাত, নিকলী থানা অফিসার ইনচার্জ শামছুল আলম সিদ্দিকী,মুক্তিযোদ্ধা গোপাল দাস,পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপুল দেবনাথ, হিন্দু ,বুদ্ধ, খৃষ্টান পরিষদের সভাপতি সঞ্জয় সাহা, নিকলী প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক দিলীপ কুমার সাহা, সাংবাদিক খায়রুল মোমেন স্বপন, মোঃ হাবিব মিয়া প্রমুখ। ১৯৭১ সালে ২১শে সেপ্টেম্বর উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের সুত্রধর পাড়ার ৩৯ জনকে নিরাপত্তা কার্ড (ডান্ডি কার্ড) দেয়ার আশ্বাস দেয় শান্তি কমিটির স্থানীয় দালাল ও তৎকালীন দামপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহেব আলী ওরফে ট্যাকার বাপ ও সিরাজ, সানাইসহ কয়েক রাজাকারের তত্ত্বাবধানে তাদেরকে নিয়ে আসা হয় রাজাকার ক্যাম্প নিকলী থানায়। এদের মধ্যে বাদল সুএধর, বাদল বর্মন, সুনু বর্মন, গোপাল সূত্রধর বয়সে কিশোর হওয়ায় রাখা হয় থানা হাজতে।

৩৫জনকে পিঠমোড়া বেঁধে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে চালানো হয় নির্যাতন। ক্ষণে ক্ষণে লাঠি আর বেয়নেটের খোঁচাখুঁচি চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। পাক মেজর দোররানীর বর্তমানে (নিকলী জিসি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে পাক ঘাঁটিতে অবস্থানরত) সঙ্গে ওয়ারলেসযোগে সিদ্ধান্ত নেয় রাজাকার হোসেন আলী। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঐ ৩৫ গ্রামবাসীকে থানার নিকটস্থ সোয়াইজনী নদীর পশ্চিমপাড়ের শ্মশানখলা ঘাটে সারিবদ্ধ দাঁড় করিয়ে চালানো হয় ব্রাস ফায়ার।

রাজাকারদের সহযোগিতায় গুলিবিদ্ধ ৩৫ জনকেই হলুই (মাছ গাঁথার বড় সুই) করে নিয়ে যাওয়া হয় ধুবলারচর নামক হাওরে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে ঘোড়াউত্রা নদীতে ডুবিয়ে দেয় সবাইকে। এ সময় ৩৫ জনের মধ্যে কামিনী বর্মন নামে একজন কাকতালীয়ভাবে বেঁচে যান। ভোর বেলায় ছেড়ে দেয় থানা হাজত থেকে ৪ কিশোরকে। ততক্ষণে হাওরের জলে ভেসে গেছে তাদের মা-কাকির কপালের সিঁদুর।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামছুদ্দিন মুন্না বলেন, সুদীর্ঘ সময়ে বধ্যভূমিটিতে শহীদ বেদি হয়নি এটি দুঃখজনক। শহীদ বেদি নির্মাণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।

 

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com