শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :

শীতে কাবু নিকলী, দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ

দিলীপ কুমার সাহা, নিকলি, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বুধবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে
শীতে কাবু নিকলী, দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন ১৩ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে কিশোরগঞ্জের নিকলী আবহাওয়া অফিস। বুধবার (৫ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ।

সপ্তাহজুড়ে কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিলেছে এবং ঝলমলে রোদ ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে।

শীতের কারণে দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার খেটে খাওয়া মানুষ। আয় কমে গেছে কৃষি শ্্রমিক, অটোবাইক আর রিকশাভ্যান চালকদের। সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতকালীন ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।

নিকলী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, মধ্য পৌষ থেকেই কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলীসহ অন্য উপজেলাগুলোতে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র হয়েছে শীত পরিস্থিতি। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বুধবার সকালে সর্বনিম্ন আরও কমে হয় ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কনকনে শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে উপজেলা সদরসহ প্রত্যন্ত এলাকায় খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে শীতার্তদের। তীব্র শীতে কাজে যেতে না পারায় কষ্টে দিনাতিপাত করছে শ্রমজীবি ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো।

নিকলী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার কর্মকর্তা আক্তার ফারুক বলেন, বুধবার সকালে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এই অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। এ অবস্থা আরও দুই তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।
নিকলী উপজেলা কমপ্লেক্্েরর আর ,এম ও ডা. সালেহ উদ্দিন আকবর বলেন, টানা শৈত্যপ্রবাহের কারণে উপজেলায় শীতজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। তিন দিনে শুধু ডায়েরিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নিয়ে ২২ শিশু নিকলী সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

নিকলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কারার শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, নিকলী একটি শীতপ্রবণ এলাকা। আমি সোমবার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। শীতের শুরু থেকেই বিভিন্ন এলাকায় দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিলি করেছি। শীতবস্ত্র নিয়ে শীতার্তদের পাশে দাঁড়াবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) প্রীতিলতা বর্মন বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ২৯০ জন শীতার্তের মাঝে শীতের কম্বল বিলি করা হয়েছে। এছাড়া সরকারিভাবে প্রাপ্ত ৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রাপ্ত বরাদ্দ থেকে শীতের কম্বল কিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করেছেন। এর বাইরে বেসরকারিভাবে ব্যাক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com