বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার অভিবাসী ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র শুভশ্রীকে খোলা চিঠি দেবের লোডশেডিং প্রসঙ্গে দুষ্টু লোকে বলে, ‘টুকু আসে, টুকু যায়’ সেপ্টেম্বরে তফসিল, ডিসেম্বরে স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ: সিইসি নওগাঁয় অগ্নিদগ্ধ ‘পাখিকে’ দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজাউন নবী স্যান্ডো পাহাড়ি ঢলে ভেসে যাওয়া ছেলের পর মায়ের মরদেহ উদ্ধার ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপালের রসুয়া, নিহত বেড়ে ৯৫ ছাত্রদল ছেড়ে জাতীয় যুবশক্তিতে, তাড়াইলে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান লিয়ন কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

কিশোরগঞ্জের ‘বড়ইতলা গণহত্যা’ দিবস আজ

মো: আল-আমীন, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জের ‘বড়ইতলা গণহত্যা’ দিবস আজ

আজ ১৩ অক্টোবর কিশোরগঞ্জের বরইতলা গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের ১৩ অক্টোবর কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কর্শাকড়িয়াল ইউনিয়ন ও যশোদল ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা বড়ইতলা নামক স্থানে ৩৬৫ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে হত্যা করে রাজাকার ও পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী।সেই থেকে এই দিনটি এখন বড়ইতলা গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে স্থানীয়রা।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত যুদ্ধাপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরেও তাদের বিচার হয়নি। এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদদের পরিবারের সদস্যদের বুকফাটা কান্না যেন থামছে না। বড়ইতলা হত্যাকাণ্ডে স্বজনহারা শত শত পরিবার এখনো মানবেতর জীবন- যাপন করছেন। তাদের খবর রাখে না কেউ। এখনো মেলেনি শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি ও মর্যাদা।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের এদিন (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জ থেকে ট্রেনে করে কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের বড়ইতলা নামক স্থানে আসে পাকিস্তানী বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস। পরে তারা পার্শ্ববর্তী দামপাড়া গ্রামে প্রবেশ করে ৪-৫ জন নিরীহ স্থানীয় বাসিন্দাকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। ঘটনার আকস্মিকতায় প্রাণে বাঁচতে কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের দামপাড়া, বীরদামপাড়া, কড়িয়াইল, তিলকনাথপুর, গোবিন্দপুর, চিকনিরচরসহ আশপাশের মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি করতে থাকে। এ সময় পাকিস্তানী বাহিনীর সহযোগীরা গ্রামের সাধারণ মানুষকে সভা হবে বলে ডেকে বড়ইতলা নিয়ে যায়।

পরে তাদের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় রাজাকাররা পাকিস্তানী সৈন্যদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বাড়িঘরে লুটতরাজ, নারী নিপীড়ন ও অগ্নি সংযোগ করে। এ সময় এক রাজাকার গুজব ছড়ায় যে, গ্রামবাসী দুই পাকিস্তানী সৈনিককে মেরে ফেলেছে। এ গুজবের পর বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় কিশোরগঞ্জ-ভৈরব রেললাইনের পাশে বড়ইতলা নামক স্থানে নিরীহ ৩৬৫ গ্রামবাসীকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে, রাইফেলের বাট দিয়ে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে।

দেশ স্বাধীনের পর তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বড়ইতলার গণহত্যারস্থল পরিদর্শন করেন। পরে বড়ইতলার নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ নগর’ রাখা হয়। শহীদদের স্মরণে সেখানে তখন একটি স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়।

পরে ২০০০ সালে সরকারের সহযোগিতায় বড়ইতলা এলাকায় রেললাইনের পাশে ৬৬৭ বর্গফুট এলাকায় ২৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। দিবসটি পালন উপলক্ষে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, স্থানীয় আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনাসভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com