১৯৬তম এই ঈদ জামাত আয়োজনে সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি। কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়। জামাত পরিচালনা করবেন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ। সার্বিক নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা ও ড্রোন।
এরই মধ্যে মাঠে দাগ কাটা, বালু ফেলা, দেয়ালে রং করাসহ শোলাকিয়া ময়দানকে জামাতের উপযোগী করার কাজ শেষ হয়েছে। এবারও শোলাকিয়া দেশ-বিদেশের লাখো মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। চার স্তরের নিরাপত্তার পাশাপাশি, মাঠে থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ। এছাড়াও মাঠের বিভিন্ন প্রবেশ পথে থাকছে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা।
মুসুল্লিদের জায়নামায ছাড়া অন্যকিছু না নিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। ঈদের আগের দিন ও ঈদের দিন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ে ঈদের দিন মুসুল্লিদের আসা যাওয়ার সুবিধার্থে শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। একটি ট্রেন সকাল ছয়টায় ভৈরব থেকে ছেড়ে কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশানে পৌঁছাবে সকাল আটটায় অপরটি সকাল পৌনে ছয়টায় ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে কিশোরগঞ্জে পৌঁছাবে সকাল সাড়ে আটটায়।
রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে শর্টগানের ৬টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হবে। জামাত শুরুর ৫ মিনিট আগে ৩টি, ৩ মিনিট আগে ২টি এবং ১ মিনিট আগে ১টি গুলি ছুড়ে নামাজের জন্য মুসল্লিদের সঙ্কেত দেওয়া হবে।
জনশ্রুতি আছে, কোন এক ঈদের জামাতে এখানে সোয়া লাখ মুসল্লি এক সাথে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’। যা এখন শোলাকিয়া নামেই পরিচিত।