কিশোরগঞ্জের নিকলীতে গত এক সপ্তাহ ধরে সূর্যের দেখা নেই। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে কিছু সময় রোদের দেখা মিললেও উত্তাপ ছড়ানোর আগে আবারও কুয়াশায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় নিকলীতে সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করে নিকলীর আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষন আক্তার ফারুক। তিনি বলেন, আগামী ১৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
শুক্রবার (১২জানুয়ারি) নিকলীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি। তবে উত্তরের হিমশীতল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীতে দুর্ভোগ বেড়েছে দুঃস্থ, ছিন্নমূল আর খেটে খাওয়া মানুষের। এদের অনেকেই শীতের কারণে কাজে যোগ দিতে পারছেন না। শীতবস্ত্রের অভাবে রাতে ঠিকমত ঘুমাতেও পারেন না অনেকে।
উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় সরকারিভাবে ৩ হাজার ৫০০টি শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তবে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের দুঃস্থ শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বলের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় কম। ফলে এখনো বিভিন্ন এলাকার অনেক দুঃস্থ মানুষ শীতের কম্বল পাননি। দুঃস্থদের অনেকেই শীতের কারণে কাজে যোগ দিতে পারছেন না। শীতবস্ত্রের অভাবে রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারেন না। শীতের রাতে ঘুমাতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সজীব ঘোষ জানান, হাসপাতালে ঠা-া জনিক রোগীর সংখ্যা এক সপ্তাহে দ্ধিগুণ হারে বাড়ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার বলেন, এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ৫০০ শীতবস্ত্র সাতটি ইউনিয়নে নিয়মমতো বিতরণ করা হয়েছে। বেসরকারিভাবেও বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রত্যন্ত এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।