রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ব্রড শৃঙ্গে তুষারধসে ১০ পর্বতারোহীর মৃত্যু ২৯ অক্টোবর প্রাথমিকে যোগ দেবেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক কিশোরগঞ্জে বিশুদ্ধ হজ ও ওমরাহ পালন বিষয়ে প্রশিক্ষণ সেমিনার বগুড়ায় ট্রাক ও পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালকসহ নিহত ৪ ৬ বছরে ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৩৮৪ জনের আশুলিয়ায় ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার বাংলাদেশসহ ১৪ দেশকে নিয়ে সৌদির নতুন সমুদ্রকেন্দ্রিক সামরিক জোট ঘোষণা ‘অগাস্টেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য’ বাংলাদেশিদের ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ ভারতের সংসদীয় কমিটির

৭ বছর পর জিম্বাবুয়ের সাথে লজ্জার হার বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে
৭ বছর পর জিম্বাবুয়ের সাথে লজ্জার হার বাংলাদেশের

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে তিন উইকেটের জয় পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। এই জয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭ বছর পর কোন টেস্ট জিতল জিম্বাবুয়ে।

মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত ওয়েসলি মাধেভেরের রিভার্স সুইপে বাউন্ডারি মেরে জয় নিশ্চিত করেন সফরকারীরা।

মাত্র ১৭৪ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ২১তম ওভারেই ৯৫ রান তুলে ফেলেছিল কোনো উইকেট না হারিয়ে। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশের লড়াই। মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে একপর্যায়ে ম্যাচে ফিরেছিল স্বাগতিকরা।

মিরাজ প্রথমে ভেঙে দেন ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারানের গড়া ৯৫ রানের উদ্বোধনী জুটি। এরপর ৩৩ রানের ব্যবধানে আরও তিনটি উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। মিরাজের ঘূর্ণিতে একের পর এক ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন। অন্যদিকে, তাইজুল তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ একটি উইকেট।

প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেয়া মিরাজ দ্বিতীয় ইনিংসেও তুলে নেন আরও ৫টি, যার মধ্যে ছিল ১ রানে নাইয়াশা মায়াভোর উইকেট। তখন জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল আরও ২৯ রান, হাতে মাত্র চার উইকেট। কিন্তু এর পরেই ক্রেইগ আরভিন ও ওয়েসলি মাধেভেরে ধৈর্যের সঙ্গে খেলতে থাকেন। একপর্যায়ে বৃষ্টি বাধা দিলেও ম্যাচ থেমে থাকেনি।

চা বিরতির সময় জিম্বাবুয়ের স্কোর ছিল ২৮ ওভারে ১১৭/২। তখন জয় থেকে তারা ছিল মাত্র ৫৭ রান দূরে। বেনেট ছিলেন ৫২ রানে অপরাজিত, তার সঙ্গে ছিলেন শন উইলিয়ামস। এর আগে আউট হন বেন কারান (৪৪) ও নিক ওয়েলচ (১০)। একটি করে উইকেট পান মিরাজ ও তাইজুল।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় ২৫৫ রানে। দলের একমাত্র আলো জ্বালানো ব্যাটার ছিলেন জাকের আলি, যিনি নিজের অষ্টম টেস্ট ইনিংসে চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১১১ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হয় প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে, আগের রাতের বৃষ্টির কারণে। এরপর দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান আগের দিন ৬০ রানে অপরাজিত থাকা অধিনায়ক শান্ত। মিরাজও বেশি কিছু করতে পারেননি। এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন তাইজুল, হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ।

জাকের কিছুটা লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ছয় উইকেট নিয়ে ইনিংস গুটিয়ে দেন ব্লেসিং মুজারাবানি। ৭২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে তিনিই হন দ্বিতীয় ইনিংসের নায়ক। সেই সঙ্গে তিনি হলেন দ্রুততম ৫০ টেস্ট উইকেট শিকারি জিম্বাবুয়ের বোলারদের মধ্যে যৌথভাবে একজন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com