রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত রাজশাহী রেঞ্জে সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম নওগাঁ জেলা, শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তাড়াইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চবিতে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষে আহত দেড় শতাধিক, ১৪৪ ধারা জারি

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে
চবিতে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষে আহত দেড় শতাধিক, ১৪৪ ধারা জারি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে এখন পর্যন্ত চলমান সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) উন্নতি চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চবি মেডিকেল সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

রোববার সকাল ১০টার দিকে প্রশাসন স্থানীয়দের সঙ্গে মীমাংসার জন্য আসে। ওইসময় থেকে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয়রা লাঠি, রড, ছুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ করে। এতে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়ে মেডিকেল সেন্টারে আসে।

কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার বলেন, সকাল থেকে এখন পর্যন্ত আনুমানিক দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন জখম ও কাটা ছেঁড়াসহ গুরুতর অবস্থায় আসতে থাকে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চমেকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে। এর আগে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সংঘর্ষের ঘটনার জেরে রোববার সকাল থেকে প্রধান ফটক বন্ধ করে জিরো পয়েন্ট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন তারা। একপর্যায়ে ক্যাম্পাসের পাশে রাতের সংঘর্ষের স্থানে গেলে স্থানীয় লোকজনও লাঠিসোঁটা নিয়ে এগিয়ে আসেন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

সংঘর্ষ শুরু হওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের এতগুলো শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রক্টর ও পুলিশের ৩টি যানবাহন ভেঙেছে। এ বিষয়ে অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটের কাছে এক ছাত্রী একটি ভবনে ভাড়া থাকেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে তিনি ওই ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে দারোয়ানের সঙ্গে তার তর্ক হয়। একপর্যায়ে ভবনের দারোয়ান তাকে মারধর করেন। এ সময় ২ নম্বর গেটে থাকা শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে শিক্ষার্থীরা তাকে ধাওয়া করলে স্থানীয় লোকজন শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। তখন সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর স্থানীয় লোকজন মাইকে ডেকে লোক জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা হামলা চালিয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে ঘরবাড়ি।

এর আগে গতকাল রাত সোয়া ১২টা থেকে রোববার ভোর ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ৫০ শিক্ষার্থী আহত হন। পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সংঘাতের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় আগামীকাল (সোমবার) রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসন এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা ও শান্তি শৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেট বাজারের পূর্ব থেকে রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয়পাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হলো। এ অবস্থা রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত বলবত থাকবে।

এ সময়ে এসব এলাকায় সব সভা সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরকদ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও সকল প্রকার দেশীয় অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হলো। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান কিংবা চলাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হলো।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com