মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দেশে চালু ১৯ কোটি ১০ লাখ সিম, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ চান ট্রাম্প, নাকচ গভর্নরের অটোরিকশা চার্জে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাকুন্দিয়ার মিলনের মৃত্যু তাড়াইলের ১২ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় তাড়াইল হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  টানা তিন হার বাংলাদেশের, এবার বড় লজ্জা দিল ভারত হানাহানি এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘মৃত্যুর আগে ছেলেকে একবার দেখে যেতে চাই’

আর্থিক খাত অতিরিক্ত রাজনীতিকরণে ব্যাংকগুলো দুর্বল হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে
আর্থিক খাত অতিরিক্ত রাজনীতিকরণে ব্যাংকগুলো দুর্বল হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

আগের সরকারের সময়ে আর্থিক খাত অনেক বেশি রাজনীতিকরণ হওয়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’ বলে তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আওয়ামী শাসনামল থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সময়কালও ‘খুব বেশি যে ভালো’ ছিল- এমনটাও মনে করেন না তিনি।

নির্বাচিত বর্তমান সরকারের আমলে বিগত সময়ের ‘পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি’ থেকে সরে এসে অর্থনীতির ‘গণতান্ত্রিকায়নের’ দিকে ফেরাতে কাজ শুরুর কথা বলেন তিনি।

শনিবার বিকালে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী কথা বলছিলেন।

তার ভাষ্য, “আর্থিক খাতে যে বিশৃঙ্খলাগুলো হয়েছে এগুলো কেন হয়েছে? আর্থিক খাত এত ‘রাজনীতিকরণ’ হয়েছে যে ব্যাংকগুলো আজকে খালি হয়ে গেছে।

“শেয়ার বাজার লুটপাট করায় ফিনিশড হয়ে গেছে। তো এরকম একটা জায়গা থেকে আমরা যখন ফিরে আসতে চাচ্ছি এখন, আমাদের ফিনান্সিয়াল সেক্টরে রেজুলেশনের একটা বিষয় আছে।”

তিনি বলেন, “ব্যাংকগুলো আন্ডার ক্যাপিটালাইজড হয়ে গেছে। বেসরকারি খাতও আন্ডার ক্যাপিটালাইজড হয়ে গেছে। আপনার ৪০ পারসেন্ট কারেন্সি ডেপ্রিসিয়েশনে নাই। একজন ব্যবসায়ীর যদি ৪০ পারসেন্ট কারেন্সি ডেপ্রিসিয়েশনে চলে যায়, (এর সঙ্গে) ১৪ পারসেন্ট ইনফ্লেশন রেটে চলে গেছে চিন্তা করেন। তার ইরোশন (পুঁজির), তার ক্যাপিটাল ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ইরোডেড হয়ে গেছে। এই লোকগুলোতো অপারেট করতে পারছে না।

“এখানে কিন্তু আন্ডার পারফরম্যান্স করতেছে (শিল্পগুলো)। যে আন্ডার পারফর্ম করতেছে এমন ইন্ডাস্ট্রি এবং বিজনেস অনেক বেশি। এবং এজন্য অনেক লোক চাকরি হারাচ্ছে কিন্তু। সুতরাং এদেরকে ক্যাপিটালাইজ (করতে হবে), আমাকে রি-ক্যাপিটালাইজ করতে হবে।”

তবে তাদের পুঁজি সহায়তা করার ক্ষেত্রে সরকারের অক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরতে যেয়ে আমির খসরু বলেন, “এখন সরকারের তহবিলে আমাদের এত টাকা নেই যে, আমরা এগুলো সব সরকারের তহবিল দিয়ে রি-ক্যাপিটালাইজ করতে পারব।

“আর বিশেষ করে আমরা ইনহেরিট করেছি- যে অর্থনীতিটা পেয়েছি ওই ‘ডিক্টেটোরিয়াল রেজিম’ থেকে। তারপর গত ১৮ মাসের যেটা পেয়েছি। কোনোটার চেয়ে কোনোটা ‘খুব বেশি যে ভালো তা আমি বলতে পারব না’। এর চেয়ে বেশি বলতে চাই না। সুতরাং সবগুলো দায়িত্ব তো আমাদের কাঁধে।

“তারপরে এসেছে আপনার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। এটা মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এই যে বিশাল ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে, খালি আর্থিক খাতে না ফিসকাল সেক্টরেও স্পেস কমে গেছে।”

অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি একটা অলিগার্কদের হাতে চলে গিয়েছিল। অর্থাৎ, পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি হয়ে গিয়েছিল। আজকে বাংলাদেশ যেখানে, যে গর্তের মধ্যে পড়েছি, এটার মূল কারণ হচ্ছে একটা পৃষ্ঠপোষকতা রাজনীতির মাধ্যমে কিছু লোকের কাছে দেশের অর্থনীতি, তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

“এখন দেশের অর্থনীতি যখন কিছু লোকের হাতে নিয়ন্ত্রিত হয়, এটা অর্থনীতির মধ্যে থাকে না। এটা তখন রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে যায়, সরকারের নীতিমালা প্রণয়নের মধ্যে প্রভাবিত হয়, সব জায়গাতে হয়। এবং যে কারণে আজকে এখানে এসে দাঁড়িয়েছি। এজন্য এই অলিগার্কিক পৃষ্ঠপোষকতা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য গণতান্ত্রিকায়নের কথা বলছি অর্থনীতিতে। শুধু রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ন করলে তো হবে না, আমাদের অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ন করতে হবে।”

তিনি বলেন, এজন্য একদম প্রান্তিক মানুষের কাছে সরকারের সেবা ও সহযোগিতা পৌঁছে দিতে বিএনপি সরকার ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড দিচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়িয়ে ‘ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ড’ বাড়াতে কাজ করার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তিনি। যার প্রতিফলন আগামী অর্থবছরেই দেখা যাবে বলে তার ভাষ্য।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com