বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ কোচিং বন্ধ, স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ; কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু, সভাপতিত্ব করছেন খলিলুর রহমান সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, তাই অনুসন্ধান: দুদক সচিব হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে সমবায় বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নওগাঁর পত্নীতলায় বাণিজ্য মেলায় লটারির ড্র না হওয়ায় ভাংচুর-লুটপাট কওমি মাদরাসায় মানসম্মত পাঠদান, তাড়াইলে শিক্ষকদের নিয়ে কর্মশালা কনসার্টে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার ডেঙ্গুতে এ বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড

ট্রাম্পের কড়াকড়ি ও তহবিল ছাঁটাইয়ের সুযোগ নিচ্ছে কানাডা

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

ট্রাম্প প্রশাসনের তহবিল ছাঁটাই ও গবেষণার স্বাধীনতা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ৪৮ জনসহ মোট ৬৪ জন গবেষককে নিয়োগ দিয়েছে কানাডা। আগামী আট বছরে তাদের গবেষণায় ৫০ কোটি কানাডিয়ান ডলার সহায়তা দেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ি ও তহবিল ছাঁটাইয়ের কারণে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার সুযোগ নিচ্ছে কানাডা।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো থেকে ডজন ডজন খ্যাতনামা অধ্যাপক ও গবেষককে কানাডা নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার কানাডার শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলি জানান, গবেষণার জন্য ৬৪ জন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও অধ্যাপককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দেশটির বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী আট বছর ধরে তাদের গবেষণায় ৫০ কোটি কানাডিয়ান ডলারের সহায়তা দেওয়া হবে।

নিয়োগ পাওয়া ৬৪ জনের মধ্যে ৪৮ জনই যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড, কর্নেল ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির মতো বিশ্বখ্যাত শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এসেছেন।

তারা মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞান, প্রকৌশল, জলবায়ুবিজ্ঞানের মতো বিষয়ের শিক্ষাবিদ ও গবেষক।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা খাতে সরকারি অর্থায়ন কমে যাওয়া, অভিবাসন নীতি কঠোর হওয়া এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরোধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাখাতে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, সেটিকে নিজেদের গবেষণা সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ হিসেবেই দেখছে কানাডা।

ডনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে কেন্দ্রীয় তহবিল ছাঁটাই শুরু করেছেন।

গবেষণায় অনুদান কে পাবে, তা নিয়ে হোয়াইট হাউজের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে মার্কিন শিক্ষাবিদদের মধ্যে। এর ফলেই গবেষকরা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়াতে এক সংবাদ সম্মেলনে মেলানি জোলি বলেন, “কিছু দেশ যখন গবেষণায় কাটছাঁট করছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার দিকে পিঠ ফেরাচ্ছে, তখন আমরা বিজ্ঞান ও গবেষণায় বিনিয়োগ দ্বিগুণ করছি।”

এই পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশাসন বাণিজ্য যুদ্ধ বা রাজনৈতিক সংঘাত হিসেবে দেখবে কি না জানতে চাইলে জোলি বলেন, এটি কানাডার নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

তিনি বলেন, “মার্কিন প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, আমরা নিচ্ছি আমাদের। এই অসাধারণ অধ্যাপকরা আমাদের দেশে আসছেন দেখে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

কানাডার ১৭০ কোটি কানাডিয়ান ডলারের ‘গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট প্লাস রিসার্চ ট্যালেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ থেকে এই খরচের জোগান দেওয়া হচ্ছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গবেষকদের কানাডায় আকৃষ্ট করতেই এই বিশাল তহবিল তৈরি করা হয়েছে।

আমন্ত্রিত এসব গবেষকদের বরণ করে নিয়েছে কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ড. বেনোয়া-আঁতোয়ান বেকন বলেন, “আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে অনিশ্চয়তার এই সময়ে সরকারের এই সহায়তা কানাডায় বিশ্বমানের গবেষণার ভিত তৈরি করতে সাহায্য করছে।”

শিক্ষাবিদদের অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়াকে দেশ ছাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটসের আরএনএ গবেষণার অন্যতম বিজ্ঞানী ফিলিপ জামোর জানান, তিনি আর যুক্তরাষ্ট্রে সেরা মানের গবেষণা চালাতে পারছিলেন না।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে থেকে আমি সেরা কাজ করতে পারছি না, সেরা প্রতিভাদের কাজে আনতে পারছি না এবং তাদের একটি নিরাপদ পরিবেশের আশ্বাসও দিতে পারছি না।”

অন্যদিকে, ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস আমহার্স্ট ছেড়ে কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়া মিডিয়া স্কলার ইথান জুকারম্যান বলেন, বিশ্বজুড়ে একনায়কতন্ত্র ও রাজনৈতিক হুমকির এই সময়ে স্বাধীন গবেষণাকে সমর্থন করার জন্য কানাডার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com