শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইট তাড়াইলে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় মামলা পাকুন্দিয়ায় ২০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঢাকা মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত পাকুন্দিয়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু স্পেনে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে

কালের সাক্ষী ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক গোল মসজিদ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে
কালের সাক্ষী ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক গোল মসজিদ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের বাগপাড়ায় কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক গোল মসজিদ। প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন এ মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে টিকে আছে।

প্রাপ্ত শিলালিপি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদটি মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে নির্মিত। পরবর্তীতে হিজরি ১২১৯ সালের দিকে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। সুদূর ইরাক থেকে ভারতবর্ষের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব বাংলায় ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে শেখ শামছুদ্দিন হোসেনপুর পরগনার শাহেদল ইউনিয়নের বাগপাড়ায় এসে বসতি স্থাপন করেন।

তবে জমিদারি আমলে এ অঞ্চল হিন্দু অধ্যুষিত থাকায় মসজিদ নির্মাণে তৎকালীন সমাজপতিরা বিরোধিতা করেন। পরবর্তীতে শেখ শামছুদ্দিনের দুই পুত্র শেখ আদম ও শেখ আলম বাগপাড়া এলাকায় মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঐতিহাসিক গোল মসজিদটির দেয়াল প্রায় ৩ ফুট পুরু। মসজিদের ছাদের ওপরের অংশ সম্পূর্ণ গোলাকার আকৃতির হওয়ায় এর নামকরণ করা হয়েছে ‘গোল মসজিদ’। চুন, ইট ও আখের লালি দিয়ে মসজিদটির গাঁথুনি তৈরি করা হয়েছে। ছোট পরিসরের এ মসজিদে ইমামসহ তিন কাতারে মোট ১৯ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, মসজিদটির বয়স ২৫০ বছরেরও বেশি। সময়ের প্রয়োজনে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মসজিদটির সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে মসজিদের ভেতরে টাইলস লাগানো হয়েছে এবং চারপাশে রং করা হয়েছে। তবে প্রাচীন স্থাপত্যের ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য এখনো মসজিদটির মূল কাঠামোতে দৃশ্যমান।

স্থানীয়দের দাবি, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় মসজিদটিকে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। এ কারণে তারা প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো এই গোল মসজিদকে দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের আওতাভুক্ত করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com