পেন্টাগনের দেওয়া এই হিসাব কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি। সিবিও বলেছে, ১ আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের মতো। তাদের হিসাবেও মেরামত খরচ ধরা হয়নি। সংস্থাটি জানিয়েছে, মোট ব্যয়ের বড় অংশ গেছে অস্ত্র ক্রয় ও সেগুলো ব্যবহারের পেছনে। যুদ্ধ চলতে থাকলে প্রতি মাসে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে বলেও সিবিও সতর্ক করেছে। সংঘাত আরও তীব্র হলে এই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে।
সিবিও আরও জানিয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ যখন অর্থনীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন, তখন এই অতিরিক্ত সামরিক ব্যয় আরও চাপ তৈরি করতে পারে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই সংঘাত শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। প্রথম দিনের হামলাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিহত হন। এর জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন স্থাপনায় পাল্টা হামলা শুরু করে। যুদ্ধ এখন কার্যত পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং জ্বালানির দাম বেড়েছে।
যুদ্ধ থামাতে ওমান, কাতার ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এখনো সংঘাত পুরোপুরি থামেনি।