বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সাত বছরে ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে সড়কে হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, আহত সারজিস-নাসীরুদ্দীন জাপানে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প ৩৪ টুথপেস্টের মধ্যে ২৬ টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ হাই কোর্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক, দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্সটাউনে একটি দোকানে আগুনে পুড়ে ছয় বাংলাদেশির মৃত্যু ইরাক থেকে আসা ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি আরবের ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো সরকার পুলিশি অভিযান বন্ধ না হলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ পার্টির জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য হয়নি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

গোবর কুড়িয়ে সংসার চালায় তারা…

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

দিলীপ কুমার সাহা, নিকলী
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর গ্রামের বাসিন্দা তনিয়া আক্তার। বয়স বড়জোর আট বছর। জীবনের মানে কতোটুকুইবা বুঝতে শিখেছে সে? কিন্তু বুঝুক আর না বুঝুক, শিশু বয়সেই তাকে নামতে হয়েছে জীবন ও জীবিকার কঠিন যুদ্ধে।
প্রচ- শীতে মধ্যে ছেঁড়া জামা গায়ে, খালি পায়ে এক কিলোমিটার পথ মাড়িয়ে সাত সকালেই তাকে ছুটতে দেখা যায় হাওরের মাঠে।
চোখ তার গরুর পালে সাঁটা। ওই গরুর গোবর তুলে বাড়ি নিয়ে যাবে তনিয়া। সেই গোবর খড়ে মিশিয়ে ছটা তৈরি করবেন তনিয়ার মা বেগম। প্রতি ছটা বিক্রি হবে ১০ টাকা দরে। সেই টাকায় ঘুরবে তনিয়াদের সংসাদের চাকা।
ঘুম থেকে জেগেই তনিয়া খেয়ে না খেয়ে গোবরের খোঁজে ছোটে। সঙ্গে তার দুই বছরের বড় ভাই আমিন ও বোন আকলিমা। তনিয়ার সঙ্গে তারাও ছুটে চলে মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। সকাল থেকে দুপুর এভাবেই কেটে যায় ওদের জীবন চলা।
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় সিংপুর হাওরের বিশাল মাঠ যেনো গরুর পালের নয়, তনিয়াদেরও খাদ্যের উৎস। ঘাস খেতে খেতে মাঠময় চরে বেড়ায় গরুর পাল। আর চরতে থাকা গরুর পেছন পেছন ছুটে চলে তনিয়া, আকলিমা, আমিন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ছেলে-মেয়েদের আনা গোবরে ছটা তৈরিতে বসেন মা বেগম।
ওদের বাড়ি নিকলী উপজেলার সিংপুর গ্রামে। তনিয়ার বাবা বিল্লাল মিয়া অন্যের বাড়িতে কৃষি কাজ করেন। আমিন আর আকলিমা ছাড়াও লিপা নামে আরো এক বোন এবং উমর নামে আরো এক ভাই আছে তনিয়ার।
বড় বোন লিপার বিয়ে হয়েছে। লিপা ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করে। বড় ভাই উমরও কাজ করে ঢাকায়। তনিয়ানা, আকলিমা আর আমিন ছুটে চলে গোবরের খোঁজে।

আলাপকালে তনিয়াজানায়, আমি আর আমিন ভাই ও আকলিমা আপা সকালে ভাত খাইয়া গোপর (গোবর) তুকাইতে (কুড়াতে) মাডে (মাঠে) আইয়ি। আবার দুহুর (দুপুরে) বাড়িতে যাইগা। এ ভাবেই আমাদের সময় চলে যায়। আমরার হমান বয়সীরা যহন ইস্কুলে যায় , দেইখ্যা আমারও মন চা-য় ইস্কুলে যাইতে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com